পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ এখন আর পিছিয়ে থাকতে চায় না: পার্বত্য উপদেষ্টা
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ এখন আর পিছিয়ে থাকতে চায় না। পার্বত্য চট্টগ্রামে কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত করতে হবে। আপাতত প্রি-প্রাইমারি থেকে ক্লাস থ্রি পর্যন্ত শুরু করা হবে।
আজ বুধবার রাজধানীর মতিঝিলে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের এনসিটিবি মিলনায়তনে ‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পাঁচটি ভাষায় প্রাথমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, বিতরণ ও বাস্তবায়ন পর্যালোচনা’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, আমাদের দেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ৪১টি ভাষা এ পর্যন্ত উদ্ধার করা হয়েছে।
উপদেষ্টা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে এমন কিছু সম্প্রদায় রয়েছে যার জনগোষ্ঠী অনেক কম। তাদেরও ভাষা আছে। যেমন- লুসাই, তাদের মোট জনগোষ্ঠী আড়াই হাজার। তাদের মাতৃভাষাও পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা দরকার।
তিনি বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ এখন আর পিছিয়ে থাকতে চায় না। পার্বত্য চট্টগ্রামে কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত করতে হবে। আপাতত প্রি-প্রাইমারি থেকে ক্লাস থ্রি পর্যন্ত শুরু করা হবে। পরে উপজেলা পর্যায়ে দুর্গম এলাকার ছাত্রছাত্রীদের জন্য হোস্টেলে থাকার ব্যবস্থা করে কোয়ালিটি এডুকেশন নিশ্চিত করতে চায় সরকার।
উপদেষ্টা বলেন, ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞানে দক্ষ শিক্ষকদের একটি উপজেলার ৮ থেকে ৯টি বিদ্যালয়ে পর্যায়ক্রমে পাঠদান ও পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে। দ্বিতীয় এজেন্ডা হলো জীবিকার উন্নয়ন, পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটানো। আর আমার তৃতীয় এজেন্ডা হলো পরিবেশ।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব (রুটিন দায়িত্বে) মো. মনিরুল ইসলাম, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বিদ্যালয়) মডারেটর মাসুদ আকতার খান, এনসিটিবি’র চেয়ারম্যান প্রফেসর রবিউল কবীর চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করেন এনসিটিবি’র ঊর্ধ্বতন বিশেষজ্ঞ মো. আব্দুল মুমিন মোছাব্বির।





