“পররাষ্ট্রনীতির অংশ হিসেবে কোন কোন দেশ সন্ত্রাসীদের মদদ দেয়”
কোনো কোনো দেশ পররাষ্ট্রনীতির অংশ হিসেবে সন্ত্রাসকে সমর্থন ও মদদ দিয়ে চলেছে উল্লেখ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন, সন্ত্রাসীদের তারা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আদর্শগত সহায়তা দিয়ে চলেছে। এদের বিচ্ছিন্ন করতেই হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো যদি ও কিন্তুর কোনো অবকাশ নেই।
শুক্রবার সন্ত্রাসীদের অর্থায়নের পথ রুদ্ধ করার চেষ্টায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলন ‘নো মানি ফর টেরর’ বা এনএমএফটির উদ্বোধনী ভাষণে প্রধানমন্ত্রী মোদি এ আহ্বান জানান।
ভারতের সরকারি সূত্রের দাবি, ৭০টির বেশি দেশ ও সন্ত্রাসবিরোধী সংগঠনের প্রায় ৪৫০ প্রতিনিধি দুই দিনের এ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। তবে চীন, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান এ সম্মেলনে যোগ দেয়নি।
এর মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। বাংলাদেশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে সম্মেলনের অবসরে তিনি দেখা করবেন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে।
প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলো যেন না ভাবে যে কোথাও যুদ্ধ হচ্ছে না মানে শান্তি বিরাজ করছে। এই ধারণা মারাত্মক ভুল। ছায়া যুদ্ধ সমানভাবে ভয়ংকর ও হিংস্র। যেসব দেশ সন্ত্রাসীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষে মদদ দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে আর্থিক নিষেধাজ্ঞা আনা দরকার। নাহলে তারা লাগামছাড়া হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, সন্ত্রাসে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সাহায্যকারীদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক দুনিয়াকে একজোট হতে হবে। এটাই আজকের পৃথিবীর শান্তিকামী মানবসমাজের দাবি।
মোদি বলেন, সন্ত্রাস দমনে দরকার অর্থায়নের উৎস বন্ধ করা। অর্থের জন্য পৃথিবীজুড়ে সংঘবদ্ধ অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। এই অপচেষ্টাকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখা বিপজ্জনক। সবাইকে সতর্ক করে তিনি বলেন, সন্ত্রাস কোথায় হচ্ছে, সেটা বড় কথা নয়। আক্রমণ যেখানেই ঘটুক, তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। সন্ত্রাস দমনে দ্বিচারিতার কোনো স্থান নেই। কারণ, সন্ত্রাস হলো মানবতা, স্বাধীনতা ও সভ্যতার প্রতি আঘাত।





