দেশের বাইরের রাষ্ট্রপ্রধানরাও যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বাধার চেষ্টা করেন: প্রধানমন্ত্রী
সব বাধা উপেক্ষা করে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করলাম, তখন অনেক বাধা সৃষ্টি হয়। দেশের বাইরের রাষ্ট্রপ্রধানরাও এ বিচারে অনেক বাধা দেয়ার চেষ্টা করেন। এমনকি কেউ কেউ আমার কাছে টেলিফোন করে কথাও বলেন।
তিনি বলেন, তাদের শুধু আমি একটি কথা বলেছিলাম, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যারা অপরাধ করেছিল তাদের বিচার তো এখনও হচ্ছে, তাহলে বাংলাদেশের মানুষের ওপর যারা নির্যাতন চালিয়েছে, হত্যা করেছে তাদের বিচার হবে না কেন? এ ধরনের চাপ আমাদের ওপর হয়েছিল তারপরও আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে পেরেছি।
আজ সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের ৫৯তম বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার বিচার করা হবে না বলে আইন করা হয়েছিল; ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স জারি করে খুনিদের বিচারের হাত থেকে রেহাই দিয়ে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়েছিল।
সরকার প্রধান বলেন, ১৯৯৬ সালে ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্স আইন বাতিল করে জাতির পিতার পরিবারের হত্যার বিচারের কাজ শুরু করি। সে সময় আমাদের অনেক বাধা আসে। কিন্তু সব বাধা অতিক্রম করে ২০০৯ সালে বিচারক তোফাজ্জেল সাহেব রায় কার্যকর করতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেই আমরা বিচার করতে পেরেছি।
প্রযুক্তির ব্যবহার বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা যেমন প্রযুক্তির ব্যবহার করে সুযোগ পাচ্ছি তেমনি এই প্রযুক্তির ব্যবহার করে জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসী কার্যকর্মের ধরন পাল্টে যাচ্ছে। এজন্য আমরা আইন করছি, এর বিরুদ্ধে অনেকে অনেক কথা বলে। কিন্তু বাস্তবতা হলো এটা আমাদের একান্ত প্রয়োজন এ কারণেই এখন কিন্তু আগের মতো মল্লযুদ্ধ হয় না, এখন বোতাম টিপে হয়, এমনকি এখন অনলাইনে ট্রেনিং দেয়া হয় কীভাবে বোমা বানাবে, কীভাবে মানুষ খুন করবে। কাজেই সব ধরনের সন্ত্রাসবিরোধী আইনগুলোকে সরকার গুরুত্বের সঙ্গে দেখে।
ভার্চুয়াল আদালত প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির সময় ভার্চুয়াল কোর্ট প্রতিষ্ঠা করে বিচার যাতে চলে সেই ব্যবস্থা নিতে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে আলোচনা করি। এরপর ভার্চুয়াল আদালত প্রতিষ্ঠার পর অনেক মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়েছে। আমাদের আইনজীবী যারা তাদের জন্যও সুবিধা হয়েছে যে, যেকোনো জায়গা থেকেই আদালত পরিচালনা করতে পারছেন। সারা দেশে ই-জুডিশিয়াল প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ই-জুডিশিয়াল চালু করা গেলে মামলা ব্যবস্থাপনায় আরও গতি আসবে।
আরও পড়ুনঃ “বিদেশিরা কাউকে ক্ষমতায় বসাবে না, ক্ষমতায় বসাবে বাংলাদেশের জনগণ”






আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক হলেন মাশরাফি - tathyasangjog
December 26, 2022[…] […]
বুধবার ১১টায় মেট্রোরেলের উদ্বোধন: সেতুমন্ত্রী - tathyasangjog
December 26, 2022[…] […]
মেট্রোরেলে হাফ ভাড়া থাকবে না: ওবায়দুল কাদের - tathyasangjog
December 26, 2022[…] […]