“দেশের প্রত্যেকটি খাতে এখন প্রচণ্ড নৈরাজ্য বিরাজ করছে”
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, চারদিক থেকে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। এ সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে গিয়ে এখন গোটা জাতিকে ফতুর করার জন্য একের পর এক আর্থিক খাত, সামাজিক খাত সব লুট করছে। প্রত্যেকটি খাতে এখন প্রচণ্ড নৈরাজ্য বিরাজ করছে।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাচন বর্জনের সমর্থনে রাজধানীর শান্তিনগর বাজার এলাকায় সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, বর্তমান ডামি সরকার দেশকে একটি লুটপাটের দেশ বানাতে চাচ্ছে। দেশ থেকে হাজার হাজার কোটি পাচার করেছে আওয়ামী লীগের নেতা ও তাদের ঘনিষ্টজনরা। আজকে দুবাইয়ে অত্যন্ত দামি তিনশ তিরানব্বইটি বাড়ির খবর পাওয়া গেছে। ৬৪৩টি সম্পদের খবর ছাপা হয়েছে। এ সম্পদের মালিক কারা? ব্যাংক লুটপাট করেছে, দেশের সম্পদ লুট করেছে, ফ্লাইওভার, পদ্মা সেতুর নামে টাকা লুট করেছে, এই টাকা দিয়েই তারা দুবাইয়ে বাড়ি বানাচ্ছে। সরকারের লোকদের লুটপাটের খবর একের পর এক বের হতে শুরু করেছে।
তিনি বলেন, একের পর এক ব্যাংক লুট হয়ে ব্যাংকগুলো ধসে গেছে। মন্ত্রীদের নামে, এমপিদের নামে ব্যাংক দিলেন। তারাই সব লুট করে ফেলছে। এখন সরকার ভালো ভালো ব্যাংকের সঙ্গে সেগুলোকে মিশিয়ে দিতে চাচ্ছে। এবাবে তারা জনগণের টাকা, জনগণের সম্পদকে তারা লুটপাট করেছে, পাচার করেছে।
রিজভী বলেন, আজ বাংলাদেশের টাকা নেই। যে রিজার্ভ দিয়ে আমদানি করা যায়, যেটি দিয়ে ব্যবসা করা যায়, যেটি দিয়ে উন্নয়ন হবে, সেই টাকা আজ শূন্যের দিকে। এর কি জবাব দেবেন শেখ হাসিনা? এর জবাব তিনি দিতে পারবেন না। কারণ তার লোকেরাই এটি করেছে।
আরও পড়ুনঃ “সরকার ও নাগরিকের অংশীদারিত্বে নাগরিক সমস্যা সমাধান সহজ হবে”





