এমপি আনার খুনের ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, এমপি আনার খুনের ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে বেশি কিছু বলা যাবে না।
আজ বুধবার ধানমন্ডির বাসভবনে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।
তিনি বলেন, কলকাতার একটি বাসায় তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। কারা খুনের সাথে জড়িত, খুনের মোটিভ জানতে ভারতীয় পুলিশ ও আমাদের পুলিশ কাজ করছে, আন্তর্জাতিকভাবে যেসব পন্থা অবলম্বন করা প্রয়োজন আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।
মন্ত্রী আরও বলেন, ঝিনাইদহ সন্ত্রাসকবল এলাকা। আনার এবারও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়ার পরই খুনের ঘটনা ঘটেছে। আমাদের পুলিশ এটা নিয়ে তদন্ত করছে। আমরা শিগগিরই খুনের মোটিভ কী ছিল জানাতে পারব। আমরা আরও যখন তথ্য পাবো তখন বিস্তারিত জানাতে পারব।
মরদেহ পাওয়া গেছে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তদন্তের স্বার্থে আমরা এখনই আমাদের কাছে থাকা তথ্য প্রকাশ করছি না। কেন খুন হয়েছে, কোথায় খুন হয়েছে, কারা জড়িত তদন্ত শেষে আমরা সবই জানাব। মরদেহ এখনও আমাদের হাতে আসেনি।
ভারতে চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের মরদেহ কলকাতার একটি ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।
বুধবার (২২ মে) নিউটাউন এলাকার সঞ্জিভা গার্ডেন নামের বিলাসবহুল একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্লকে পাওয়া গেছে তার মরদেহ।
গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য কলকাতায় গিয়ে উত্তরের বরানগরে বন্ধুর বাড়িতে ছিলেন আনার। ১৩ মে তিনি কারও সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন, কিন্তু আর ফেরেননি।
পুলিশের বরাত দিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যম কলকাতা২৪ জানিয়েছে, আনারের শেষ মোবাইল লোকেশন মিলেছিল বিহারে। গত ১৪ মে থেকে তার ফোন বন্ধ হয়ে যায়। গত আট দিন ধরে নিখোঁজ থাকলেও তার ফোন থেকে পরিবারের সদস্যদের কাছে মেসেজ পাঠানো হয় যে তিনি নয়াদিল্লি চলে গেছেন।
সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩ মে নিউটাউনের একটি বাড়িতে যান এমপি আনার। সেই বাড়িতেই খুন করা হয় তাকে।
মো. আনোয়ারুল আজিম আনারের জন্ম ৩ জানুয়ারি ১৯৬৮ সালে। পেশায় ব্যবসায়ী আনার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কালীগঞ্জ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে তিনি তৃতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
আরও পড়ুনঃ আপনি কি ১০০ বছর বাঁচতে চান?





