“এইচএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা প্রাপ্য নম্বরই পেয়েছে”
২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা তাদের প্রাপ্য নম্বরই পেয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরার। তবে যারা প্রত্যাশিত ফল করতে পারেনি, তাদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘এখন থেকে শিক্ষার্থীরা খাতায় যা লিখবে, তার ভিত্তিতেই ন্যায্য নম্বর দেওয়া হবে। কাউকে অতিরিক্ত বা কম নম্বর দেওয়া হবে না।’
তিনি জানান, শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মূল্যায়নই শিক্ষা বোর্ডগুলোর প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত। ফলাফল কেবল পরিসংখ্যান নয়; এটি শিক্ষার্থীদের পরিশ্রম, পরিবারের প্রত্যাশা এবং ভবিষ্যতের স্বপ্নের প্রতিফলন।
যারা এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফল করেছে, তাদের অভিনন্দন জানান ড. আবরার। একই সঙ্গে যারা প্রত্যাশিত ফল পায়নি, তাদের প্রতি সমবেদনা জানান তিনি।
তিনি বলেন, এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল অনেককে অবাক করেছে। পাসের হার এবং জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা গত বছরের তুলনায় কম। এর কারণ জটিল নয়, তবে অস্বস্তিকর।
ড. আবরার বলেন, ‘দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মূল সমস্যা প্রাথমিক স্তর থেকেই শুরু। এই ঘাটতি বছরের পর বছর জমা হয়ে বড় হয়েছে। দীর্ঘদিন আমরা এই বাস্তবতার মুখোমুখি হইনি। আমরা এমন একটি সংস্কৃতি গড়েছি, যেখানে উচ্চ পাসের হার সাফল্যের প্রতীক এবং জিপিএ-৫ এর সংখ্যা তৃপ্তির মাপকাঠি।’
তিনি আরও বলেন, ‘ভালো ফলাফল দেখানোর তাগিদে আমরা শেখার প্রকৃত সমস্যাগুলো আড়াল করে ফেলেছি। এই সংস্কৃতি পরিবর্তন করতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থার ফলাফল বাস্তবতার প্রতিফলন ঘটাবে।’
উপদেষ্টা জানান, সব শিক্ষা বোর্ডকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন ভবিষ্যতে, বিশেষ করে এইচএসসি পরীক্ষার মূল্যায়নে, সীমান্তরেখায় থাকা শিক্ষার্থীদের প্রতি সর্বোচ্চ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হয়। পাশাপাশি ফলাফলের বাস্তবতা বিকৃত না হয়, সেদিকেও নজর রাখতে হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে সন্তুষ্টি চাই না। আমরা ন্যায্য নম্বর দিয়ে সততাকে প্রাধান্য দিয়েছি। বাস্তবতাকে সাহসের সঙ্গে স্বীকার না করলে মেধাবী ও আগামী প্রজন্মের প্রতি অবিচার হবে।’
ড. আবরার জানান, প্রতিটি শিক্ষা বোর্ডকে তাদের মূল্যায়ন প্রক্রিয়ার স্বাধীন পর্যালোচনা প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষাবিদ, গবেষক ও নীতিনির্ধারকদের নিয়ে একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করা হয়েছে, যারা তথ্য বিশ্লেষণ করে শেখার মূল ঘাটতিগুলো চিহ্নিত করবে।
তিনি আরও জানান, আগামী সপ্তাহে শিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি জাতীয় শিক্ষা পরামর্শ সভা আহ্বান করবে। এতে শিক্ষক, শ





