উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত: নিহত ৩১, আহত ১৬৫
রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের হায়দার হলের ক্যানটিনের ছাদে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এফ-৭ বিজিআই প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩১ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন ১৬৫ জন, যারা বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
আইএসপিআর জানায়, সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ১টা ৬ মিনিটে কুর্মিটোলার এ কে খন্দকার বিমানঘাঁটি থেকে উড্ডয়নের পরপরই বিমানটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে মাইলস্টোন কলেজের ক্যানটিনের ছাদে আছড়ে পড়ে। এতে প্রচণ্ড আগুন ও ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। পাইলট ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ তৌকির ইসলাম নিহতদের মধ্যে রয়েছেন। তিনি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা থেকে বিমানটিকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন বলে আইএসপিআর জানিয়েছে।
আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ও নিহতদের তথ্য নিম্নরূপ:
-
কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল: আহত ৮ জন, নিহত নেই।
-
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট: আহত ৪৬ জন, নিহত ১০ জন।
-
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: আহত ৩ জন, নিহত ১ জন।
-
সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ): আহত ২৮ জন, নিহত ১৬ জন।
-
উত্তরা লুবনা জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড কার্ডিয়াক সেন্টার: আহত ১৩ জন, নিহত ২ জন।
-
উত্তরা আধুনিক হাসপাতাল: আহত ৬০ জন, নিহত ১ জন।
-
উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতাল: আহত ১ জন, নিহত নেই।
-
শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল: আহত ১ জন, নিহত নেই।
-
ইউনাইটেড হাসপাতাল: আহত ২ জন, নিহত ১ জন।
-
কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল: আহত ৩ জন, নিহত নেই।
মোট আহত ১৬৫ জন এবং নিহত ৩১ জন, যাদের মধ্যে বেশিরভাগই শিক্ষার্থী এবং কলেজের কর্মচারী। জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের ড. আভিজিত জানান, “আহতদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর, বিশেষ করে যারা জেট ফুয়েলে দগ্ধ হয়েছেন। আমরা সর্বোচ্চ চিকি





