লক্ষ্য ২০৪১ সাল, স্মার্ট একটা দেশ: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশকে স্মার্ট বানানোর লক্ষ্যে কাজ করবেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, লক্ষ্যটাই হলো ২০৪১ সাল, স্মার্ট একটা দেশ তৈরি করা। যেখানে সমৃদ্ধ দেশে সবাই সুখে-শান্তিতে বসবাস করবে। সরকার গঠনের পর স্বল্প-মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে আরও উন্নয়ন কাজ করা হবে। প্রতিবেশী দেশগুলোও আমাদের সহায়তা করে যাচ্ছে।
আজ সোমবার বিকেলে গণভবনে দেশি-বিদেশি নির্বাচনী পর্যবেক্ষকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে এ কথা বলেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, মৃত্যুকে অনেক কাছ থেকে দেখেছি। বারবার আমার ওপরই হামলা হয়েছে। জনগণের কথা বলতে গিয়ে অনেকবার আক্রমণের স্বীকার হয়েছি, কিন্তু দমে যাইনি। মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিতে কাজ করে গেছি।
এবারের নির্বাচন ব্যতিক্রম উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, সবসময় চেষ্টা ছিল নির্বাচনটাকে সুষ্ঠু করার। যাতে মানুষই সিদ্ধান্ত নিতে পারে, কারা তাদের প্রতিনিধি হবেন। চেয়েছি ভোটাধিকারটা রক্ষা করতে। ওই দলটি (বিএনপিকে ইঙ্গিত করে) নির্বাচনে আসেনি, ভোটকে ভয় পেয়ে। এই নির্বাচনে আমার নয়, জয় হয়েছে দেশের জনগণের।
‘‘নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হতে পারে সেই উদাহরণ সৃষ্টি করতে পেরেছি।এই নির্বাচনে মানুষের ভোটাধিকারটা সুরক্ষিত হয়েছে। এখনো নির্বাচনী গেজেট ঘোষণা হয়নি। তাই অপেক্ষা করতে হচ্ছে। সাংবিধানিক সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই শপথ ও মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে’’, যোগ করেন প্রধানমন্ত্রী।
আওয়ামী লীগের সভাপতি বলেন, আমরা হয়তো আবারও সরকার গঠন করতে যাচ্ছি। এক্ষেত্রে খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টির নিরাপত্তাসহ যোগাযোগ ব্যবস্থার আরও উন্নয়ন করতে হবে, দারিদ্র্যের হার আরও কমানো, অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ বাকি থাকা অন্যসব কাজ এগিয়ে নিতে হবে।
বাংলাদেশকে স্মার্ট বানানোর লক্ষ্যে কাজ করবেন জানিয়ে তিনি বলেন, লক্ষ্যটাই হলো ২০৪১ সাল, স্মার্ট একটা দেশ তৈরি করা। যেখানে সমৃদ্ধ দেশে সবাই সুখে-শান্তিতে বসবাস করবে। সরকার গঠনের পর স্বল্প-মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে আরও উন্নয়ন কাজ করা হবে। প্রতিবেশী দেশগুলোও আমাদের সহায়তা করে যাচ্ছে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ জয়ে দলের সভাপতি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি। ঢাকার সঙ্গে দেশগুলো সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করে। এছাড়া, সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অভিনন্দন জানিয়েছেন। সাক্ষাৎ করেছেন বিজয়ী প্রার্থীরাও।
আরও পড়ুনঃ টানা চতুর্থবার ক্ষমতার পথে আওয়ামী লীগ





