দেশের বাজারে আবারও বাড়ল সোনার দাম
দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবী সোনার বা পাকা সোনার দাম বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) এই নতুন মূল্য নির্ধারণ করেছে। আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) দুপুর ১টা ৪৫ মিনিট থেকে দেশের সব জুয়েলারি দোকানে এই বর্ধিত দাম কার্যকর হয়েছে। এর ফলে সাধারণ ক্রেতাদের গহনা কিনতে আগের চেয়ে আরও বেশি অর্থ গুণতে হবে।
বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি অর্থাৎ ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম সোনার গহনার দাম ৩ হাজার ৩২৪ টাকা বাড়ানো হয়েছে। এই মূল্যবৃদ্ধির পর ভ্যাট ও অন্যান্য চার্জসহ ভালো মানের এক ভরি সোনার নতুন দাম গিয়ে ঠেকেছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকায়। বিশ্ববাজার ও স্থানীয় বুলিয়ন মার্কেটের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই মূলত এই মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
আজ থেকে কার্যকর হওয়া নতুন এই দাম অনুযায়ী শুধু ২২ ক্যারেট নয়, অন্যান্য গ্রেডের সোনার ক্ষেত্রেও একই অনুপাতে দাম বাড়ানো হয়েছে। জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের সংগঠন সূত্রে জানা গেছে, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম বাড়ানো হয়েছে ৩ হাজার ১৮০ টাকা। এছাড়া ১৮ ক্যারেটের ক্ষেত্রে ভরিপ্রতি দাম বেড়েছে ২ হাজার ৭১৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির সোনা প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২৩৯ টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
গত কয়েক মাস ধরেই দেশের বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি এবং মার্কিন ডলারের বিনিময় হারের ওঠানামার প্রভাব সরাসরি পড়েছে দেশের স্থানীয় বাজারে। পাকা সোনার সরবরাহ খরচ এবং আমদানির আনুষঙ্গিক বিষয়গুলো বিচার করেই বাজুস নিয়মিতভাবে এই দাম সমন্বয় করে থাকে। সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা ও বাজারের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে সোনা ব্যবসায়ীরাও বলছেন, তেজাবী সোনার দাম না কমলে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা সহসা থামছে না।




