হ্যান্ডশেক করেনি দুই দল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা!
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত ম্যাচে টস জিতে ভারতকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে পাকিস্তান। তবে ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রচলিত হ্যান্ডশেক হয়নি, যা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নানা অনিশ্চয়তা কাটিয়ে অবশেষে মাঠে গড়াল ক্রিকেট বিশ্বের বহুল আলোচিত এই লড়াই।
ক্রিকেটে ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল ও পাকিস্তান জাতীয় ক্রিকেট দল মুখোমুখি হওয়া মানেই আবেগ, ইতিহাস ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার এক বিস্ফোরক মিশেল। দুই দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের প্রভাব প্রায়ই মাঠের বাইরের আলোচনায় জায়গা করে নেয়। এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেই উত্তাপ আরও বেড়েছে ম্যাচটি ঘিরে নানা অনিশ্চয়তার কারণে।
প্রাথমিকভাবে পাকিস্তান এই ম্যাচটি বয়কটের ঘোষণা দিয়েছিল। বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার কথা উল্লেখ করে তারা ভারতের বিপক্ষে খেলতে অনীহা জানায়। বিষয়টি দ্রুত আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে আলোড়ন তোলে। শেষ পর্যন্ত International Cricket Council (আইসিসি)-এর উদ্যোগ এবং বাংলাদেশের মধ্যস্থতায় সমাধানের পথ তৈরি হয়। আলোচনার পর ভারতও ম্যাচ খেলতে সম্মত হয় এবং সূচি অনুযায়ী আজ সেই বহুল প্রতীক্ষিত লড়াই শুরু হয়েছে।
ম্যাচ শুরুর আগে সাধারণত দুই দল পরস্পরের সঙ্গে করমর্দন করে সৌজন্য বিনিময় করে থাকে। তবে আজ সেই দৃশ্য দেখা যায়নি। মাঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর খেলোয়াড়রা নিজ নিজ অবস্থানে চলে যান। এই ‘হ্যান্ডশেক না হওয়া’ ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যেই তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছে। যদিও আয়োজক বা কোনো দল আনুষ্ঠানিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।
টসে জিতে পাকিস্তানের অধিনায়ক প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তার যুক্তি, উইকেটে শুরুতে কিছুটা আর্দ্রতা রয়েছে এবং আলো-আঁধারি পরিস্থিতিতে পরে ব্যাটিং করা সুবিধাজনক হতে পারে। অন্যদিকে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে শক্তিশালী বলেই পরিচিত। ফলে শুরুতেই বড় সংগ্রহ গড়ার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামে তারা।
বিশ্লেষকদের মতে, ম্যাচের ফলাফল শুধু দুই পয়েন্টের লড়াই নয়; এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানসিক আধিপত্যও। বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ সবসময়ই আলাদা মাত্রা পায়। পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বকাপের মঞ্চে দুই দলের লড়াইয়ে ভারতের পাল্লা তুলনামূলক ভারী। তবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে পাকিস্তানও একাধিকবার চমক দেখিয়েছে।





