“সংখ্যালঘু ভাবনাটাই একটা দাসত্বের শিকল, এই দাসত্বের শিকল ভেঙে দিতে হবে”
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সংখ্যালঘু ভাবনাটাই একটা দাসত্বের শিকল, এই দাসত্বের শিকল ভেঙে দিতে হবে। মুসলমানের ভোট বা হিন্দুর ভোটে কোনো পার্থক্য আছে? মুসলমানের একটি ভোটের যে মূল্য হিন্দুর একটি ভোটেরও একই মূল্য। সংবিধান সাম্প্রদায়িক নয়, তাই কোনো পার্থক্য নেই। তবুও কেনো আপনারা মাইনোরেটি কমপ্লেক্সে ভুগবেন?
আজ শনিবার ঢাকেশ্বরী মন্দিরে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন কমিটির দ্বি-বার্ষিকী সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।
কাদের বলেন, যারা আন্দোলনে ব্যর্থ, যারা নির্বাচনে আসে না, তাদের একটাই ঢাল- তা হলো ভারতবিরোধী অপপ্রচার। কিন্তু বাস্তবতা হলো বাংলাদেশে যেমন দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি তেমনি ভারতেও ভোগ্যপণ্য সহনীয় মাত্রায় নেই। আজ মানুষের একটাই কষ্ট তা হলো দ্রব্যমূল্য। শেখ হাসিনা তা জানেন- অধৈর্য হবেন না।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন নিয়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরা যেভাবে দৌড়ঝাঁপ করেছে ভারত সেটা করেনি, ভারত আমাদের পাশে ছিল বলেই নির্বাচন নিয়ে অশুভ খেলা খেলার সাহস করেনি অন্য কোনো দেশ।
কাদের বলেন, সম্পর্ক ভালো বলেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা করে ৬৮ বছরের সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব হয়েছে। আমি এই কৃতিত্ব দেব, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদিকে। দীর্ঘদিনের অবিশ্বাস ও সন্দেহের দেয়াল তারা ভেঙে দিয়েছেন। অবিশ্বাস ও সন্দেহের দেয়াল রেখে কোনো কিছু সমাধান সম্ভব নয়। আজকে তিস্তাসহ অভিন্ন নদীর পানির বিষয়ে, গঙ্গা চুক্তিও আমরা করেছি। তিস্তা নদী নিয়েও ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে এবং এর সমাধানও অবশ্যই হবে।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ২১টা বছর বাংলাদেশে কারা শাসন করেছিল? সেই সময় তারা প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে বৈরিতা তৈরি করেছিল— সেই কারণেই আমাদের দীর্ঘদিনের অনেক সমস্যা তৈরি হয়। সম্পর্ক যদি ভালো থাকে তবে আলোচনার টেবিলে যে কোনো বড় সমস্যা আমরা সমাধান করতে পারি, তার মধ্যে ছিটমহল বিনিময়, সীমান্ত সমস্যা সমাধান। যে দেয়াল তৈরি হয়েছিল ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সেই দেয়াল শেখ হাসিনা-মোদি ভেঙে দিয়েছেন।
আরও পড়ুনঃ “বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ভিন্নমত থাকতেই পারে”





