“রিজার্ভের টাকা গেছে মানুষের দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর জন্য”
বৈদেশি মুদ্রার রিজার্ভ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের উন্নয়নেই রিজার্ভের টাকা খরচ হয়েছে। এখনও পাঁচ মাসের ব্যয় মেটানোর মতো রিজার্ভ আছে। যারা বলেন রিজার্ভের টাকা কোথায় গেল? কেন খরচ হচ্ছে? তাদের বলছি: রিজার্ভের টাকা গেছে গম, ভুট্টা, ভোজ্যতেলসহ মানুষের খাদ্য কেনায়, সার কেনায়, মানুষের দৈনন্দিন চাহিদা মেটানোর জন্য।
আজ শনিবার সকাল ১০টার দিকে আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সঙ্গে বৈঠকে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে একথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনাকালে আমাদের আমদানি হয়নি, কেউ বিদেশে যেতে পারেনি, কোনো রকম খরচ ছিল না। সবচেয়ে বড় কথা, প্রবাসে যারা… যেহেতু কেউ বিদেশে যেতে পারেনি, হুন্ডি ব্যবসাও ছিল না, একেবারে সরকারিভাবে সব টাকা এসেছে, যার ফলে আমাদের ভালো ফান্ড আসে। যেখানে বিএনপির আমলে ’৯১ থেকে ‘৯৬ সাল পর্যন্ত বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল, তখন রিজার্ভ রেখে গিয়েছিল মাত্র ২ দশমিক ৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার। যেটা ৩ মাসের খাবার আমদানি করারও পয়সা হতো না। সেই অবস্থায় আমি সরকারে আসি। তখন আমরা কিছু উদ্যোগ নিই। তখন থেকে রিজার্ভ আমরা বাড়াতে শুরু করি। সেই থেকে রিজার্ভ আমরা বাড়িয়েছি। ২০০৮-এ যখন আসি, তখনও পাঁচ বিলিয়নের বেশি ছিল না। সেই ৫ থেকে ৪৮ বিলিয়নে তুলতে আমরা সক্ষম হয়েছিলাম। তাছাড়া আমাদের যে লোন, বাংলাদেশ কোনোদিন ডিফল্টার হয়নি। আমরা সময়মতো লোন পরিশোধ করি।
বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, বাংলাদেশে ২০০৮ নির্বাচনের পর, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর, একটানা ২০২২ পর্যন্ত এ দেশে গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত আছে বলেই আজ বাংলাদেশের উন্নতি হয়েছে। না থাকলে এত উন্নতি হতো না। আমরা খাদ্য উৎপাদন থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে যথেষ্ট সাফল্য আনতে পেরেছি। ২০০৮ সালে যখন নির্বাচনী ইশতেহারে আমি ডিজিটাল বাংলাদেশ করার ঘোষণা দিয়েছিলাম, তখন সবাই হাসাহাসি করেছিল। আজ ডিজিটাল বাংলাদেশ হয়েছে বলেই তো সোশ্যাল মিডিয়ায় ইচ্ছামতো বলতে পারছে। বাংলাদেশে একটি টেলিভিশন ও রেডিও (স্টেশন) ছিল সরকারি। আওয়ামী লীগের আমলে অনেকগুলো রেডিও ও টেলিভিশন করে দিয়েছি।
আরও পড়ুনঃ সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, অভিন্ন নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে ভারত-বাংলাদেশ বৈঠক





