রসায়নে নোবেল জয়ে ইতিহাস গড়লেন ওমর এম ইয়াগি
রসায়নে নোবেল জিতে ইতিহাস গড়লেন ওমর এম ইয়াগি।
তার অ্যাকাডেমিক যাত্রায় তিনি অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটি, মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয় এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, লস অ্যাঞ্জেলেসে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। ২০১২ সালে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলেতে যোগ দেন এবং বর্তমানে জেমস ও নেলজে ট্রেটার প্রফেসর অব কেমিস্ট্রি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া তিনি মলিকুলার ফাউন্ড্রি, কাভলি এনার্জি ন্যানোসায়েন্স ইনস্টিটিউট, ক্যালিফোর্নিয়া রিসার্চ অ্যালায়েন্স এবং বাকার ইনস্টিটিউট অব ডিজিটাল ম্যাটেরিয়ালস ফর দ্য প্ল্যানেটের পরিচালক হিসেবেও কাজ করছেন।
নোবেল পুরস্কার জয়ের আগেই ওমর ইয়াগি অসংখ্য আন্তর্জাতিক পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অব সায়েন্সেস এবং জার্মানির ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি লিওপোল্ডিনার নির্বাচিত সদস্য। ২০২৫ সালে তিনি কার্নেগি কর্পোরেশন অব নিউ ইয়র্কের গ্রেট ইমিগ্র্যান্ট অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।
নোবেল পুরস্কার জয়ের পর প্রথম প্রতিক্রিয়ায় ওমর বলেন, আমার বাবা-মা খুব বেশি পড়াশোনা বা লেখাপড়া জানতেন না। এই যাত্রা ছিল বেশ কঠিন, কিন্তু বিজ্ঞান আমাকে এই অসাধারণ সুযোগ দিয়েছে।
এখন পর্যন্ত মোট ১৬ জন মুসলিম নোবেল পুরস্কার জয় করেছেন। তারা হলেন: আনোয়ার সাদাত (১৯৭৮, শান্তি), আবদুস সালাম (১৯৭৯, পদার্থবিজ্ঞান), নাগিব মাহফুজ (১৯৮৮, সাহিত্য), ইয়াসির আরাফাত (১৯৯৪, শান্তি), আহমেদ জেওয়াইল (১৯৯৯, রসায়ন), শিরিন এবাদি (২০০৩, শান্তি), মোহাম্মদ এলবারাদেই (২০০৫, শান্তি), মুহাম্মদ ইউনূস (২০০৬, শান্তি), ওরহান পামুক (২০০৬, সাহিত্য), তাওয়াক্কুল করমান (২০১১, শান্তি), মালালা ইউসুফজাই (২০১৪, শান্তি), আজিজ সানকার (২০১৫, রসায়ন), মৌঙ্গি বাওয়েন্দি (২০২৩, রসায়ন), আবদুলরাজাক গুরনাহ (২০২১, সাহিত্য), নার্গেস মোহাম্মাদি (২০২৩, শান্তি) এবং ওমর এম ইয়াগি (২০২৫, রসায়ন)।





