“যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় শিশু আর নারী”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যুদ্ধ মানুষের মঙ্গল আনে না। যুদ্ধে সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায় শিশু আর নারী। আর যুবকরা দেয় জীবন। সন্তানহারা পিতা-মাতা আর পিতা-মাতাহারা সন্তান, তাদের যে কী বেদনা সেটি আমরা জানি।
আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘শেখ রাসেল দিবস-২০২৩’-এর উদ্বোধনী ও পদক প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৫ সালে আমার পরিবারের সবাইকে হত্যার পর রিফিউজি হিসেবে আমি ও আমার বোনকে বিদেশে থাকতে হয়েছে। রিফিউজি হিসেবে থাকার কষ্ট আমরা বুঝি। নিজের নাম-পরিচয় দিতে পারব না, অন্যের দেশ, ভাষা আলাদা, সেখানে থাকতে হবে, নিজের দেশে কবে যাব সে নিশ্চয়তা নেই। সেভাবেই ছয়টি বছর কাটিয়ে এসেছি।
এ সময় শিশুদের সুশিক্ষিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, একটা কথা মনে রাখবা, অর্থ-সম্পদ, টাকা-পয়সা কিছুই থাকে না। কিন্তু বিদ্যাটা থেকে যায়। আর এই বিদ্যাই হলো মূল শক্তি। তোমরা পিতা-মাতার কথা মেনে চলবে, সুশিক্ষায় শিক্ষিত হবে।
কিশোর-কিশোরীদের সাইবার অপরাধ রোধে ১৩২১৯ নম্বরের হেল্পলাইন সেবা, স্মার্ট ৩৩৩, স্মার্ট প্রেগনেন্সি মনিটরিং সিস্টেম এবং সমন্বিত ই-টোল কালেকশন সেবাসহ আরও মোট ১০টি ই-সেবা প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সরকার প্রধান।
১৯৬৪ সালের আজকের এই দিনে (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর ধানমন্ডির ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্মগ্রহণ করেন শেখ রাসেল। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকদের নির্মম বুলেট থেকে রক্ষা পাননি শিশু শেখ রাসেল। বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে নরপিশাচরা নির্মমভাবে হত্যা করেছিল তাকেও।
আরও পড়ুনঃ “বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে দিলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে বড় পরিবর্তন আসবে”





