মঙ্গলবারই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করে দেবে সরকার: বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, রমজান সামনে রেখে আগামী মঙ্গলবারই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ করে দেবে সরকার।
এছাড়া সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে শিগগিরির বৈঠক করে চিনি, খেজুরসহ অন্যান্য পণ্যের দামও নির্ধারণ করা হবে।
আজ রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এসেনশিয়াল কমোডিটিতে দুটি পণ্যের মূল্য নির্ধারণের সরাসরি ক্ষমতা দেওয়া আছে। একটি হলো তেল, আরেকটি হলো চিনি। আমাদের অগ্রাধিকার তেল। তেলের দাম আমরা আগে সমন্বয় করব। পরবর্তীতে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে খেজুর ও অন্যান্য পণ্যে ইন্ডিকেটিভ প্রাইস সমন্বয় করা হবে। চিনি শিল্প মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এবং কৃষি পণ্যের জন্য কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি, রোজার মধ্যে যাতে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্য সরবরাহ ও দাম নিয়ে যাতে দ্বিধা না থাকে। আপনারা প্রত্যাশা করতে পারেন, রমজান শুরু হওয়ার অন্তত এক সপ্তাহ আগে থেকে আমরা যে শ্রম দিচ্ছি, সেটা বাস্তবায়ন হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে আহসানুল বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করছি, ভারত থেকে আমাদের পেঁয়াজ ও চিনি আসবে। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিয়েছিলেন, উনিও একইভাবে আশ্বস্ত হয়েছেন। আমরা আশা করি, সোমবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে একটি সুখবর পাব এবং কী প্রক্রিয়ায় কত তারিখ থেকে আমদানি শুরু করব, সেটা অনুমোদন পেলেই জানাতে পারব।’
বাংলাদেশ ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ ও এক লাখ মেট্রিক টন চিনি আমদানির চাহিদা দিয়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ ও ৫০ হাজার মেট্রিক টন চিনির দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, রোজার আগে চাহিদার পুরো পরিমাণ পণ্য আমদানি সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘বিকল্প উৎসের কাছেও আমরা চেষ্টা করছি। গত বৃহস্পতিবার আমি চট্টগ্রামে খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারাও বলেছেন, পণ্যের কোনো ঘাটতি নেই।’
নেপাল ও মিয়ানমার থেকে কিছু পণ্য আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও এ সময় জানান আহসানুল।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাজারে প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রভাব না পড়লেও বাজার মনিটরিংয়ের আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, চালের দাম খাত ভেদে দুই থেকে পাঁচ টাকা কমেছে। চালের সরবরাহ কোথাও অপ্রতুল নেই। আস্থা রাখতে হবে, আমরা শুরু থেকে বলে আসছি—পণ্য সরবরাহে কোনো ঘাটতি থাকবে না এবং যৌক্তিক মূল্যে পাওয়া যাবে। সব সময় যৌক্তিক মূল্যে হয়তো প্রত্যাশিত মূল্যের চেয়ে একটু পার্থক্য থাকে। আমরা চেষ্টা করব, মূল্যটা যেন যৌক্তিক থাকে।’
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘এসেনশিয়াল কমোডিটিতে দুটি পণ্যের মূল্য নির্ধারণের সরাসরি ক্ষমতা দেওয়া আছে। একটি হলো তেল, আরেকটি হলো চিনি। আমাদের অগ্রাধিকার তেল। তেলের দাম আমরা আগে সমন্বয় করব। পরবর্তীতে অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে খেজুর ও অন্যান্য পণ্যে ইন্ডিকেটিভ প্রাইস সমন্বয় করা হবে। চিনি শিল্প মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এবং কৃষি পণ্যের জন্য কৃষি ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি, রোজার মধ্যে যাতে ভোক্তা পর্যায়ে পণ্য সরবরাহ ও দাম নিয়ে যাতে দ্বিধা না থাকে। আপনারা প্রত্যাশা করতে পারেন, রমজান শুরু হওয়ার অন্তত এক সপ্তাহ আগে থেকে আমরা যে শ্রম দিচ্ছি, সেটা বাস্তবায়ন হবে।’
এক প্রশ্নের জবাবে আহসানুল বলেন, ‘আমরা প্রত্যাশা করছি, ভারত থেকে আমাদের পেঁয়াজ ও চিনি আসবে। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিয়েছিলেন, উনিও একইভাবে আশ্বস্ত হয়েছেন। আমরা আশা করি, সোমবার থেকে বৃহস্পতিবারের মধ্যে একটি সুখবর পাব এবং কী প্রক্রিয়ায় কত তারিখ থেকে আমদানি শুরু করব, সেটা অনুমোদন পেলেই জানাতে পারব।’
বাংলাদেশ ৫০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ ও এক লাখ মেট্রিক টন চিনি আমদানির চাহিদা দিয়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ ও ৫০ হাজার মেট্রিক টন চিনির দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পাওয়া গেছে।রোজার আগে চাহিদার পুরো পরিমাণ পণ্য আমদানি সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘বিকল্প উৎসের কাছেও আমরা চেষ্টা করছি। গত বৃহস্পতিবার আমি চট্টগ্রামে খাতুনগঞ্জের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেছি, তারাও বলেছেন, পণ্যের কোনো ঘাটতি নেই।’
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘বাজারে প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রভাব না পড়লেও বাজার মনিটরিংয়ের আমাদের কাছে যে তথ্য আছে, চালের দাম খাত ভেদে দুই থেকে পাঁচ টাকা কমেছে। চালের সরবরাহ কোথাও অপ্রতুল নেই। আস্থা রাখতে হবে, আমরা শুরু থেকে বলে আসছি—পণ্য সরবরাহে কোনো ঘাটতি থাকবে না এবং যৌক্তিক মূল্যে পাওয়া যাবে। সব সময় যৌক্তিক মূল্যে হয়তো প্রত্যাশিত মূল্যের চেয়ে একটু পার্থক্য থাকে। আমরা চেষ্টা করব, মূল্যটা যেন যৌক্তিক থাকে।’
আরও পড়ুনঃ “সমাজে নানা দুর্নীতি রয়েছে, নিজ দায়িত্ব পালন না করাও বড় দুর্নীতি”





