“বিএনপি সমাবেশ না, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়”
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, গতকাল (বুধবার) নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে কীভাবে পুলিশের ওপর হামলা ও তাণ্ডব চালানো হয়েছে, তা আপনারা দেখেছেন। সেখানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে। গত পরশু (বৃহস্পতিবার) রাতে বিআরটিসি বাসে আগুন দেয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে আরও গাড়িতে আগুন দেয়া হয়েছে। আমরা বহু আগে থেকেই বলেছিলাম, বিএনপি সমাবেশ না, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ দাবি করেন।
মন্ত্রী বলেন, বিএনপি সমাবেশের ডাক দিয়েছে ১০ ডিসেম্বর। কিন্তু গতকাল ৭ ডিসেম্বর দুপুর থেকে তারা নয়াপল্টনে জমায়েত হতে থাকে। এরপর নয়াপল্টনের একটি রাস্তা বন্ধ হয়ে গেলে পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ করা হয়: আপনারা দয়া করে রাস্তার একটি লেন যাতে চালু থাকে, সেই ব্যবস্থা করবেন। কিন্তু সেই অনুরোধ উপেক্ষা করা হয়েছে। এরপর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা অর্থাৎ মতিঝিল রমনা এলাকার ডিসি হায়াত সেখানে নিজে যান। যানবাহন চলাচলে রাস্তার একটি লেন চালু রাখতে তিনি যখন অনুরোধ করছিলেন, তখন তাকে পেছন থেকে লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। তার দেহরক্ষীকে দা দিয়ে কোপ দেয়া হয়। সেখান থেকে শুরু।
হাছান মাহমুদ বলেন, ডিসি হায়াত, তার দেহরক্ষীসহ মোট আট পুলিশ সদস্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। সব মিলিয়ে ৩৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এরপর পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ শুরু হয়। তখন পুলিশ বাধ্য হয়ে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। তাদের বরবার বলা হয়েছে, জনসমাবেশ করতে মাঠ ব্যবহার করতে। সারা দেশে মাঠ ব্যবহার করে তারা সমাবেশ করেছে, যাতে সরকার সার্বিক সহায়তা করেছে। পুলিশ তাদের নিরাপত্তা দিয়েছে। নিজেরা নিজেরা মারামারি করা ছাড়া সেখানে অন্য কিছু ঘটেনি। কিন্তু সেই অনুরোধ তারা রাখেনি।
আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি কার্যালয়ে পুলিশ ঢুকলে অবিস্ফোরিত ১৫টি ককটেল, দুই লাখ পানির বোতল, ১৬০ বস্তা চাল, রান্না করা খিচুড়ি, ডেকচি, হাঁড়ি-পাতিল পায়। এ ছাড়া নগদ দুই লাখ টাকাও সেখানে পাওয়া যায়।
আরও পড়ুনঃ শিল্পীর আঁচড়ে উঠে আসুক মানুষের কষ্ট, যুদ্ধের ভয়াবহতা: প্রধানমন্ত্রী






ডিসেম্বরে খেলা হবে: ওবায়দুল কাদের - tathyasangjog
December 8, 2022[…] […]