বাংলাদেশে আন্দোলনের নামে যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করা হয় তা দুঃখজনক: প্রধানমন্ত্রী
সাংবাদিক ও পুলিশের ওপর বিএনপির হামলার নিন্দা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশে আন্দোলনের সামে যে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করা হয় তা দুঃখজনক। ২৮ অক্টোবর সমাবেশ করতে চেয়েছে বিএনপি। আরও কয়েকটি ছোট ছোট দল ছিল। আমরা বাধা দেইনি। তারা কথা দিয়েছিল শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করবে। কিন্তু দেখা গেল শান্তিপূর্ণ সমাবেশের নামে তারা সেখানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করল।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ফেডারেল ইউনিয়ন অব জার্নালিস্টসের (বিএফইউজে) প্রতিনিধি সম্মেলনে যোগ দিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
শেখ হাসিনা বলেন, তাদের লক্ষ্যবস্তু দেখা গেল সাংবাদিক ও পুলিশ। সেখানে তো আমাদের দলের কেউ ছিল না। সাংবাদিকদের যেভাবে মাটিতে ফেলে পেটানো হলো, নির্যাতন চালানো হলো এটা অমানবিক। এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা আর দেখা যায়নি। এটা কেন করা হলো। সেই প্রশ্নের উত্তর বিএনপিকে দিতে হবে।
তিনি বলেন, তারপর পুলিশের ওপর অত্যাচার। পুলিশকে শুধু মাটিতে ফেলে পেটানোই নয়, বেহুশ হয়ে যাওয়ার পরও পেটানো ও কোপানো হয়েছে। পুলিশ হাসপাতালে আগুন দিয়েছে। অ্যাম্বুলেন্সে রোগী যাচ্ছে, সেই অ্যাম্বুলেন্সে ধাওয়া, হামলা করেছে। এত অমানবিক আচরণ একটা রাজনৈতি দল করতে পারে না। কিন্তু এটাই বিএনপির চরিত্র। তারা ২০১৩, ১৪, ১৫ তে অগ্নিসংযোগ করেছে নির্বাচন ঠেকাতো। তারা পারেনি। তারা হত্যা, গুম, খুন ভালো পারে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেকের মোটরসাইকেল ভেঙে পুড়িয়ে দিয়েছে, পিটিয়ে আহত করেছে। আমরা সাধ্যমতো সহযোগিতা করবো। তবে, চাই তারা সুচিকিৎসা পেয়ে সুস্থ হয়ে উঠুক।
শেখ হাসিনা বলেন, সেখানে তো আমাদের কেউ ছিল না। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আমরা শুধু শান্তিরক্ষা বা শৃঙ্খলা রক্ষার কথা বলেছি। তারাও হামলার শিকার হয়েছে।
এসময় বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা ২০১৩-১৪ তেও এরকম অগ্নিসন্ত্রাস করেছে। তারা হত্যা-খুন-গুম এগুলো ভালো পারে। এত অমানবিক আচরণ একটা রাজনৈতিক দলের হয় না। বিএনপির আমলে প্রেস ক্লাবে পুলিশ ঢুকিয়ে দিয়ে পিটিয়ে ছিল।
এসময় গণমাধ্যমের সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের কোনো কোনো পত্রিকা এটা (২৮ অক্টোবরের ঘটনা) কভার দেওয়ারও চেষ্টা করে, তাদের ধিক্কার জানাই। দেখা গেলো, যুবদলের একজন নেতা প্রেস লেখা জ্যাকেট পরে আগুন দিচ্ছে, পুলিশ পেটাচ্ছে। তারা ভেবেছিল, রেহাই পেয়ে যাবে। ধরা তো পরে গেছে। এর শাস্তি হবে।
আরও পড়ুনঃ “উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে উন্নত, দক্ষ ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা”





