জুলাই হত্যাযজ্ঞের ভিডিওয়ে আদালতের নীরবতা: চোখের পানি মুছলেন আল মামুন!
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামালসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সর্বশেষ সাক্ষী ও মূল তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলমগীর সাক্ষ্য দেন। এ সময় প্রসিকিউশনের হাতে থাকা জুলাই হত্যাযজ্ঞের ১৭টি ভিডিও তুলে ধরা হয়, যা আদালতকে নিস্তব্ধ করে দেয়।
ভিডিওতে সাভারের আসহাবুল ইয়ামিন, আশুলিয়ায় ছয় মরদেহ পোড়ানো, ফার্মগেটে গোলাম নাফিজ, চানখারপুলে শহীদ আনাসসহ ছয়জন ও যাত্রাবাড়িতে তাইমের হত্যাসহ বিভীষিকাময় দৃশ্য দেখানো হলে অনেকের চোখে কান্না দেখা যায়। তৎকালীন পুলিশ প্রধান ও রাজসাক্ষী চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুনও কাঠগড়ায় বসে বারবার চোখ মুছছেন। হেলিকপ্টার থেকে গুলির ভিডিও দেখানোর সময় শেখ হাসিনার আইনজীবী দাবি করেন গুলি বা বোমার দৃশ্য দেখা যায় না, তবে প্রসিকিউটর গাজী এসএইচ তামিম পুনরায় দেখানোর কথা জানান।
প্রসিকিউশন, বিশেষ করে মিজানুল ইসলাম, দাবি করেন, জুলাই গণহত্যা ছিল পরিকল্পিত, যার প্রমাণ হিসেবে এই ১৭টি ভিডিও উপস্থাপন করা হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রাপ্ত প্রয়াত লেখক বদরুদ্দীন ওমরের জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এদিন দুটি ট্রাইব্যুনালে আরও পাঁচটি মামলার শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ চলেছে।
এই ঘটনার পর স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই ভিডিও প্রমাণের গুরুত্ব নিয়ে মতামত প্রকাশ করতে শুরু করেছেন, যা বিচারের দ্রুততা বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।





