২০২৭ সালে ঈদুল ফিতরে ৫ ও ঈদুল আজহায় ৬ দিন ছুটি
মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে অনুমোদনের পর ২০২৭ সালের ছুটির তালিকা প্রকাশ করতে যাচ্ছে সরকার। আজ বুধবার (৪ নভেম্বর) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ছুটির এই প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে বলে জানা গেছে। প্রতি বছরের মতো এবারও নতুন বছরের ছুটির প্রজ্ঞাপন ঘিরে সাধারণ চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ কৌতূহল কাজ করছে। বিশেষ করে ছুটির দিনগুলোর সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটি কীভাবে মিলবে, তা নিয়ে হিসাব-নিকাশ শুরু হয়ে গেছে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের (২০২৬) মতো আগামী বছরও উৎসবের দিনগুলোতে ছুটির বিন্যাস প্রায় একই রকম রাখা হচ্ছে। তালিকা অনুযায়ী, আগামী বছর পবিত্র ঈদুল ফিতরে মোট ৫ দিন, পবিত্র ঈদুল আজহায় ৬ দিন এবং শারদীয় দুর্গাপূজায় ২ দিন সাধারণ ও নির্বাহী আদেশে ছুটি নির্ধারিত থাকতে পারে। সাধারণত ছুটির প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকেই নতুন বছরের ভ্রমণ পরিকল্পনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ক্যালেন্ডার এবং করপোরেট ছুটির পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা সহজ হয়।
সরকারি ছুটির এই কাঠামো ঘোষণার ফলে দেশের চাকরিজীবী ও পেশাজীবীরা এখন থেকেই দীর্ঘ ছুটির পরিকল্পনা সাজাতে পারবেন। বিশেষ করে যারা দেশের দূরদূরান্তে বা গ্রামের বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে যান, তাদের জন্য ছুটির এই নির্ধারিত দিনগুলো বেশ গুরুত্বপূর্ণ। ঈদুল ফিতরের ৫ দিন এবং ঈদুল আজহার ৬ দিনের ছুটি ভ্রমণপিপাসুদের জন্যও বাড়তি সুবিধা নিয়ে আসবে। অনেকেই এই ছুটির সঙ্গে বাড়তি একদিনের ছুটি যুক্ত করে দীর্ঘ অবকাশ যাপনের ছক কষছেন।
এছাড়া, রবিবারে বা সপ্তাহের মাঝখানে কোন কোন উৎসব পড়ছে, তা প্রজ্ঞাপন প্রকাশের পরই পরিষ্কার হয়ে যাবে। অতীতে দেখা গেছে, ঈদের ছুটির সঙ্গে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলো মিলে গেলে লম্বা ছুটি উপভোগের সুযোগ তৈরি হয়। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, ২০২৭ সালের ক্যালেন্ডারেও কিছু উৎসবের ক্ষেত্রে এমন ইতিবাচক সংযোগ মিলতে পারে। প্রজ্ঞাপনটি হাতে পাওয়ার পর ব্যাংক, বীমা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি-বেসরকারি অফিসগুলো তাদের নিজস্ব বার্ষিক ছুটির কাঠামো চূড়ান্ত করতে পারবে।




