“বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতীক বাংলাদেশ”
বাংলাদেশ শান্তির সংস্কৃতি, সহনশীলতা এবং মানবিকতার চর্চায় বিশ্বাসী বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের অব্যাহত অংশগ্রহণ বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতীক। ‘
আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৫’ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
ড. ইউনূস আশা প্রকাশ করে বলেন, “আমাদের শান্তিরক্ষীরা ভবিষ্যতেও তাদের পেশাগত দক্ষতা, সাহস, মানবিক গুণাবলি, আত্মত্যাগ ও নিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী দেশ হিসেবে আরও উজ্জ্বল করবেন।” তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত সকল শান্তিরক্ষীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
বিশেষভাবে স্মরণ করে তিনি বলেন, “আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি সেই সকল শান্তিরক্ষীদের, যাঁরা কর্তব্যরত অবস্থায় জীবন উৎসর্গ করেছেন। তাঁদের আত্মত্যাগ বিশ্বশান্তির অগ্রযাত্রাকে মহিমান্বিত করেছে।”
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক ড. রেহানা পারভীন বলেন, “বাংলাদেশ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ। ড. ইউনূসের বাণী শান্তিরক্ষীদের প্রতি সম্মান এবং দেশের শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতিকে নতুনভাবে তুলে ধরেছে।” তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বব্যাপী তাদের পেশাদারিত্ব ও মানবিকতার জন্য প্রশংসিত।
ঢাকার বাসিন্দা সোহেল রানা বলেন, “আমাদের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা বাড়িয়েছে। তাদের জন্য আমরা গর্বিত। ড. ইউনূসের বাণী আমাদের শান্তির প্রতি বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে।”
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবসে ড. ইউনূসের এই বাণী দেশের শান্তিরক্ষীদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। শান্তিরক্ষীদের এই অবদান বাংলাদেশকে বিশ্ব মঞ্চে একটি দায়িত্বশীল ও মানবিক দেশ হিসেবে আরও উজ্জ্বল করছে।





