“বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র”
হোয়াইট হাউজের নিরাপত্তা ও যোগাযোগ উপদেষ্টা জন কিরবি বলেছেন, বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে তার দেশ। প্রেসিডেন্টও ঘটনাগুলো ঘনিষ্ঠভাবে অনুসরণ করছেন।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউজে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে এবং আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছি, যেন তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং নিরাপত্তা পরিষেবাগুলোর সক্ষমতা বাড়ানো যায়।’
কিরবি আরও বলেন, ‘আমরা স্পষ্টভাবে বাংলাদেশি সব নেতার সঙ্গে আমাদের আলোচনায় জানিয়েছি যে, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। অন্তর্বর্তী সরকারের নেতারা বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, ধর্ম বা জাতিনির্বিশেষে সব বাংলাদেশির নিরাপত্তা তারা নিশ্চিত করবেন।’
এদিকে, ২০২৩ সালে বাংলাদেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর।
সন্ত্রাসবাদ বিষয়ক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৩ সালে বাংলাদেশে কোনো সন্ত্রাসী হামলা না ঘটলেও এ ধরনের অভিযোগে বিরোধী দলের নেতাদের দমনপীড়ন, আটক এবং বিচারবহির্ভূত হত্যাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনেও অভিযোগ তোলা।





