চেক প্রজাতন্ত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ে বন্দুকধারীর হামলা; নিহত ১৪
চেক প্রজাতন্ত্রের কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় ১৪ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২৫ জন। হামলার পর হামলাকারী ছাত্র আত্মহত্যা করেছে।
সহিংসতার কারণে ভারী সশস্ত্র পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা এবং লোকদের বাড়ির ভিতরে থাকার জন্য সতর্কতা জারি করায় শহরের ঐতিহাসিক কেন্দ্রে আতঙ্কিত লোকজন ছুটাছুটি শুরু করে।
পুলিশ প্রধান মার্টিন ভন্ড্রাসেক গুলি চালানোর পর সাংবাদিকদের বলেন, এই মুহুর্তে আমি ভয়ঙ্কর হামলায় ১৪ জন নিহত এবং ২৫ জন আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারি। আহতদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর।
তিনি বলেন, নিহতদের সবাইকে ভবনের ভেতরেই হত্যা করা হয়েছে। মিডিয়া জানিয়েছে অন্তত কয়েকজন বন্দুকধারীর সহযোগী ছাত্র ছিল।
ডাচ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আহতদের মধ্যে একজন ডাচ নাগরিক।
ভন্ড্রাসেক বলছেন, বন্দুকধারী সম্পর্কে পুলিশের কাছে আগাম কোন তথ্য ছিল না। তার কাছে ‘অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিশাল ভান্ডার’ ছিল এবং দ্রুত পুলিশি পদক্ষেপ আরও গুরুতর হত্যাকান্ড প্রতিরোধ করে।
সরকার ২৩ ডিসেম্বর জাতীয় শোক দিবস ঘোষণা করেছে। সরকারি ভবনে পতাকা অর্ধনমিত রেখে জনগণকে দুপুরে এক মিনিট নীরবতা পালন করতে বলা হয়।
নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের তালিকা সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা হয়েছে। গুলি থেকে নিরাপদে থাকা শিক্ষার্থীরা তাদের বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়দের অবস্থা জানানোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছে।
ভন্ড্রাসেক বলেন, প্রাগের পশ্চিমে হোস্টউন গ্রামে হামলাকারীর বাবাকে মৃত অবস্থায় পাওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয়ে গণ গুলি চালানোর আগে পুলিশ ওই ব্যক্তির খোঁজ শুরু করে।
বন্দুকধারী ‘প্রাগের দিকে রওনা দিয়েছিলেন যে, তিনি আত্মহত্যা করতে চান’ এ কথা উল্লেখ করে ভন্ড্রাসেক বলেছেন, পুলিশের ধারণা আগে বন্দুকধারী তার বাবাকে হত্যা করেছে।





