“নিষেধাজ্ঞা আসলে বিএনপির ওপর আসা উচিত”
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা আসলে বিএনপির ওপর আসা উচিত। তারা নাশকতা করছে, চোরাগোপ্তা হামলা করছে। এগুলোতা সুষ্ঠু নির্বাচনে বাধা। যুক্তরাষ্ট্র যদি নিষেধাজ্ঞা দিতে চায় তাহলে একমাত্র বিএনপি ও তার দোসররাই নিষেধাজ্ঞা পাওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে।
আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, তিনি বলেন, ‘সংবিধান মেনেই আমরা স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পথে এগিয়ে যাচ্ছি। এখানে নিষেধাজ্ঞা আসবে কেন?
জোটের সঙ্গে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘যা হওয়ার ১৭ তারিখের আগে হবে। এরপর আর এ সমস্যা থাকবে না।’
৩২টি আসনে আওয়ামী লীগের কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী নেই। এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখানে মনোনয়ন বাতিলে আওয়ামী লীগের কোনো চাপ নেই। নির্বাচন কমিশন তার আচরণবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিচ্ছে। দেশের বিচারব্যবস্থাও স্বাধীন। ফাইনাল সিদ্ধান্ত নিয়ে আসলে আওয়ামী লীগ বাধা দেবে না।
এবার ভোটার উপস্থিতি ভালো হবে মন্তব্য করে সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো বাধা- বিপত্তি, হুমকি, নাশকতা, অগ্নি সন্ত্রাস এ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাধা হতে পারবে না। যারা নির্বাচনে বাধা দিতে আসবে নির্বাচনমুখী ভোটাররাই তাদের প্রতিহত করবে। বিএনপি ও তার সহযোগীরা নির্বাচনে অংশ নেয়নি। এরপরও নির্বাচন নিয়ে উৎসাহ উদ্দীপনা, জাগরণের কমতি নেই। জনগণ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।’
পোশাক খাতের বিষয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘পোশাক খাতের শ্রমিকদের নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের পায়তারা আছে। দেশেও আছে, বিদেশেও আছে। পোশাক খাতের স্বার্থেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শ্রমিকদের বেতন বাড়িয়েছেন। এ খাতের শ্রমিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বর্তমান সরকার আন্তরিক। পরবর্তী সময়েও এই সরকার ক্ষমতায় আসলে সংসদে নতুন শ্রম আইন প্রণয়নে ব্যবস্থা নেবে। এ নিয়ে পানি ঘোলা করার দরকার নেই। যারা করছেন নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে করছেন।’
আরও পড়ুনঃ অন্য কোনো দেশের নির্বাচনে করো পক্ষ নেয় না যুক্তরাষ্ট্র





