“টাইপিংয়ের ভুলে শ্রম আইন ফেরত পাঠিয়েছেন রাষ্ট্রপতি”
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়কমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, শ্রম আইনের সংশোধনীতে টাইপিংয়ের যে ত্রুটি ছিল, তাতে শ্রমিকদের অধিকার ক্ষুণ্ন হবে। তাই রাষ্ট্রপতি আইনটিতে সই না করে ফেরত পাঠিয়েছেন।
আজ বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে একথা বলেন আইনমন্ত্রী।
তিনি বলেন, নির্বাচনের পর যখন নতুন সংসদ বসবে, তখন সেই ত্রুটি সংশোধন করা হবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, শ্রম আইন সংসদে পাস হওয়ার আগে সেটি যখন সংসদে যায়, তখন একটি ত্রুটি ছিল। দেখা গেছে, সেটি অন্য কোনো ত্রুটি না, টাইপিংয়ের ত্রুটি। সেটি হচ্ছে, এক জায়গায় শ্রমিকদের সঙ্গে যদি মালিকরা বেআইনি আচরণ করেন, তাহলে তাদের জন্য একটি সাজার কথা আইনের মধ্যে আছে। সেটি একটু মিসপ্লেস হয়ে গিয়েছিল।
এই টাইপিং ত্রুটির বিষয়ে তিনি বলেন, আইনটিতে মালিকদের কিছু আচরণ ব্যাখ্যা করে দেয়া আছে। বলা আছে, কোনো মালিক কোনো বেআইনি আচরণ শুরু করলে কিংবা চালিয়ে গেলে, অথবা তা এগিয়ে নেয়ার জন্য কোনো কাজ করলে, তিনি ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এই সাজাটি ছিল ৫ হাজার টাকা, কিন্তু এটি ২০ হাজার টাকা করেছি। এখানেই ত্রুটিটি হয়ে গেছে। এই ত্রুটি যখন শ্রম মন্ত্রণালয় ধরতে পেরেছে, তখন এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়া হয়। এখন রাষ্ট্রপতি এটিকে ফেরত দিয়েছেন।
সাংবাদিকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, আপনারা জানেন, গত সংসদে অনেকগুলো বিল খুব তাড়াতাড়ি পাস হয়েছিল। সে কারণে এ ভুল পরে ধরা পড়েছে। শ্রম মন্ত্রণালয় যখন এটি রাষ্ট্রপতির কাছে সইয়ের জন্য গেছে, তখন এই ত্রুটির কারণে যে শ্রমিকদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়ে যেতে পারে, সেই বিষয়টি পরিলক্ষিত হয়। সে জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে ভুলের বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়েছে।





