এসব সাধারণ ভুলে শিশুদের আয়রনের ঘাটতি হয়
শিশুদের খাদ্যের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। এই বয়সে ভালো ও পুষ্টিকর খাবার না খেলে অনেক রোগ হতে পারে। কিন্তু এই বয়সে শিশুরাও খাবারে অনীহা দেখায়, যার কারণে তারা অসুস্থও হয়ে পড়ে।
অনেক সময়বাচ্চাদের বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর খাবার দেওয়া সত্ত্বেও তারা মারাত্মক রোগের শিকার হয়। এর পেছনের কারণ হল অসাবধানতা যা আমরা অজান্তেই করি। খাদ্যকে আরও পুষ্টিকর করতে কীভাবে দিতে হবে সে সম্পর্কে আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য নেই।
এই পদ্ধতিতে অবহেলা করলে শরীরে আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা হয়। রক্তস্বল্পতা মানে রক্তের অভাব। এমন পরিস্থিতিতে শিশুকে আয়রন সাপ্লিমেন্ট খাওয়ানোর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু আয়রন বড়ি খাওয়ার প্রয়োজন এড়াতে আমরা আমাদের খাদ্যের দিকে মনোযোগ দিতে পারি।
যে আমরা শিশুকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন-সি দিই না। তিনি লেবু দিতে দ্বিধা করেন কারণ এটি ঠান্ডা হতে পারে। যাইহোক এটি একটি মিথ৷
লেবুতে উপস্থিত ভিটামিন সি আয়রন শোষণের ক্ষমতা বাড়ায়।
পালংশাক, ব্রকলি, শস্য, ডাল ইত্যাদির নিরামিষ উৎস থেকে লেবু শরীরে আরও আয়রন শোষণ করতে সাহায্য করে।
তাই বাচ্চারা ডাল-ভাত খেলেও প্রতিদিন কয়েক ফোঁটা লেবু মেশাতে হবে।
দ্বিতীয় ভুল হল যখন শিশুরা খাবার খেতে অস্বীকৃতি জানায় বা তা করতে অনিচ্ছুক তখন তাদের জোর করে দুধ খাওয়ানো হয়। তারা তাদের দিনে প্রায় এক লিটার দুধ পান করতে বাধ্য করে।
বেশি পরিমাণে দুধ দিলে মা-বাবা মনে করেন শিশু কিছু পুষ্টি পাবে, যা তার হাড় মজবুত করবে। কিন্তু দুধকে আয়রনের খুব একটা ভালো উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয় না।
অতিরিক্ত দুধ দিলে আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তাল্পতা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ জলবায়ুর প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী





