সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে বৃহস্পতিবার এক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকারের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ের শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের উপস্থিতিতে এদিন সন্ধ্যা ৭টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এই বৈঠক শুরু হয়।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি রাতে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। জানা গেছে, দেশের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের চলমান প্রকল্প এবং জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ কিছু নীতিগত সিদ্ধান্তের বিষয়ে বৈঠকে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।
এক নজরে মূল বিষয়গুলো:
-
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এই বৈঠক শুরু হয়।
-
সভায় সভাপতিত্ব করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
-
আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সাম্প্রতিক এক বিশাল কূটনৈতিক অর্জনে অভিনন্দন জানায় মন্ত্রিসভা।
-
সভায় মন্ত্রিপরিষদের সম্মানিত সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিবগণ উপস্থিত ছিলেন।
কূটনৈতিক সাফল্য ও নীতিগত আলোচনা
টানা ব্যস্ততার অংশ হিসেবে সরকার প্রধানের নেতৃত্বে এই নীতিনির্ধারণী ফোরামের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হলো। দেশের শাসনব্যবস্থা পরিচালনা এবং জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু এই সভায় প্রাধান্য পায়। বিশেষ করে, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে আনুষ্ঠানিক অভিনন্দন জানায় মন্ত্রিসভা। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতা এবং বহুপাক্ষিক সম্পর্কের প্রতি বৈশ্বিক আস্থার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে এটিকে দেখছে সরকার।
পাশাপাশি দেশের শিল্পকারখানার ব্যবস্থাপনা ও বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রগতির বিষয়টিও বৈঠকে অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় উঠে আসে। সরকারের শীর্ষ পর্যায় থেকে কাজের গতি বাড়াতে সংশ্লিষ্টদের জরুরি দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের পর থেকে দেশের সামগ্রিক শাসন কাঠামো সংস্কারে একের পর এক সিদ্ধান্ত আসছে এই বিশেষ সভাগুলো থেকে।
মাঠপর্যায়ের কাজের গতি বাড়ানোর তাগিদ
চলতি মেয়াদে সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর বরাবরই জোর দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। সচিবালয়ের ভেতরের সূত্রগুলো বলছে, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের সমন্বয় আরও জোরদার করতে এবং সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা কমানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে এবারের বৈঠকে। সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার সরকারি অঙ্গীকারের বিষয়টিও স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়।
প্রতি বৃহস্পতিবারের নিয়মিত বা বিশেষ এই সভার সিদ্ধান্তগুলো দেশের মাঠপর্যায়ের প্রশাসনে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে জাতীয় বাজেটের পরবর্তী সময়ে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর কাজের বাস্তবায়ন অগ্রগতি কঠোরভাবে নজরদারি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আজকের বৈঠকের বিশদ এজেন্ডা ও গৃহীত প্রস্তাবসমূহ পরবর্তীতে সংবাদ ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে গণমাধ্যমকে অবহিত করা হবে।
মন্ত্রিপরিষদের সভা – তথ্য সংযোগ





