ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ২৯ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শেষে অধিবেশন আগামী ২৯ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)।
রোববার (১৫ মার্চ) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকের শেষ মুহূর্তে তিনি এই ঘোষণা দেন।
সংসদের অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করার সময় স্পিকার বলেন, “সংসদের বৈঠক আগামী ২৯ মার্চ রোববার বিকেল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি করা হলো। আপনাদের সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ।” একই সঙ্গে উপস্থিত সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে তিনি অগ্রিম ঈদের শুভেচ্ছা জানান।
এর আগে রোববার সকাল ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় এবং সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য দেন। নতুন সংসদের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় সংসদ ভবনে ছিল এক ধরনের আনুষ্ঠানিক ও প্রত্যাশাময় পরিবেশ।
সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তারা জানান, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন হওয়ায় সংসদীয় কার্যক্রমকে কার্যকরভাবে এগিয়ে নেওয়ার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হচ্ছে। সদস্যদের শপথ, সংসদীয় কমিটি গঠন এবং কার্যপ্রণালী সংক্রান্ত কিছু বিষয়ও ধাপে ধাপে নির্ধারণ করা হবে।
বিশ্লেষকদের মতে, একটি নতুন জাতীয় সংসদের শুরুতেই অধিবেশন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য মুলতবি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। সাধারণত নতুন সংসদের প্রাথমিক অধিবেশনগুলোতে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম বেশি থাকে এবং পরে পূর্ণাঙ্গ আইন প্রণয়ন ও নীতিনির্ধারণী আলোচনা শুরু হয়।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদকে ঘিরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনে বিভিন্ন প্রত্যাশা রয়েছে। নতুন সংসদে দেশের অর্থনীতি, উন্নয়ন পরিকল্পনা, সামাজিক নিরাপত্তা, জ্বালানি ও অবকাঠামো খাতসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে ধারণা করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
এছাড়া সংসদের কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারের বিভিন্ন নীতি, পরিকল্পনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মসূচির রূপরেখাও ধীরে ধীরে স্পষ্ট হবে। তাই আগামী অধিবেশনগুলোকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আগ্রহ বাড়ছে।
অন্যদিকে, ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সংসদ সদস্যদের অনেকেই নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঈদের সময় সাধারণ মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করতে তারা বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেন।





