বিএনপি মার্শাল ডেমোক্রেসি ফিরে আনতে চায়: তথ্যমন্ত্রী
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, যাদের জন্ম অগণতান্ত্রিকভাবে তারা যখন রাষ্ট্র সংস্কারের কথা বলে তখন মানুষ ভাবে বিএনপি আবার মার্শাল ডেমোক্রেসি ফিরে আনতে চায়।
আজ সোমবার দুপুরে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটের নবনির্বাচিত কমিটির সঙ্গে মতবিনিময় ও সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তারা রাষ্ট্র সংস্কারের কথা বলছেন। তাহলে তারা কি রাষ্ট্র সংস্কারের নামে জিয়াউর রহমানের মার্শাল ডেমোক্রেসিতে নিয়ে যেতে চায় সেটি হচ্ছে আমার প্রশ্ন। আজকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে সেটা জাতিসংঘের মহাসচিব, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট থেকে শুরু করে পৃথিবীর সকল নেতারা বাংলাদেশের প্রসংশা করছে। সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এই সংকটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ যেভাবে উন্নয়ন অগ্রগতি করেছে সেটা অন্য দেশের জন্য উদাহরণ।
বিএনপির কার্যালয়ে পুলিশের তল্লাশি ফলে তাদের ৫০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে এ বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি শুরু থেকে তাদের কার্যালয়ে পুলিশের তল্লাশি নিয়ে অতিরঞ্জিত করে বক্তব্য রাখছে। পুলিশ তল্লাশি করে সেখানে তাজা বোমা পেয়েছে। যে অফিসে তাজাবোমা পাওয়া যায় সেখানে তন্নতন্ন করে তল্লাশি করা স্বাভাবিক। সেখানে শুধু তাজাবোমা না আরো অনেক কিছু পাওয়া গেছে। সেখানে ক্যাশ টাকা, লাঠিসোটা, ১০৭ বস্তা চাল, আড়াই লাখ পানির বোতল পাওয়া গেছে যেগুলো স্বাভাবিক নয়। আমাদের অফিসে কি চাল, ডাল পাওয়া যাবে। তারা অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করছে। আসলে পুলিশ তল্লাশির স্বার্থে তল্লাশি করছে। তারা যে অভিযোগগুলো করছে সেগুলো সঠিক নয়। বিএনপিকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই, তারা যখন ক্ষমতায় ছিলো তখন বহুবার বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আমাদের অফিস তচনচ করেছে, তল্লাশি করেছে এবং অনেককে গ্রেফতার করেছে।
সম্প্রতি শাহীনবাগে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের যাওয়া নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ড. হাছান মাহমুদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার। তারা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন সহযোগী। গত ৫০ বছর যুক্তরাষ্ট্র আমাদের উন্নয়ন অগ্রগতিতে ভূমিকা রেখেছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে নিয়ে যে ঘটনা সেটা হতো না, যদি তিনি ১৯৭৭ সালে জিয়ার হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিল তাদের বক্তব্যটি শুনতেন এবং স্মারকলিপিটা নিতেন তাহলে এটি কোনো ঘটনাছিল না। সেখানে যারা তার নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল তারা তাকে হুটহাট করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যান। সেটা না করে তাদের দুই/চারটি কথা শুনতে পারতেন। এবিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, সেখানে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। সেখানে কিছু লোক দাঁড়িয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মনোযোগ আকর্ষণের চেষ্টা করেছিল। সেখানে নিরাপত্তাজনিত কোনো ঘটনা ঘটেনি।
আরও পড়ুনঃ প্রয়োজনের চেয়ে এখন আমাদের বেশি রিজার্ভ আছে: ওবায়দুল কাদের






কানাডায় বন্দুক হামলায় বন্দুকধারীসহ নিহত ৬ - tathyasangjog
December 19, 2022[…] […]