পাইকারি বাজারে কমেছে সব ধরনের ডালের দাম
পাইকারি বাজার এক মাসের ব্যবধানে ডালের দাম কেজিপ্রতি কমেছে ৫-১০ টাকা পর্যন্ত। তবে খুচরা বাজারে এখনো কোনো প্রভাব পড়েনি।
দেশের বৃহৎ পাইকারি বাজার নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে সব ধরনের ডালের দাম কমেছে। দেশী মসুর ডাল বিক্রি হচ্ছে হচ্ছে ১১৫ টাকা কেজি দরে, যা এক মাস আগেও ছিল ১২০ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৫ টাকা। আর খুচরা বাজারে এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকা।
মোটা মসুর ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ৮৬ টাকা কেজি দরে, যা ১৫ দিন আগে ছিল ৯৯ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ১৩ টাকা।
মুগ ডাল বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ৯৬ টাকা কেজি দরে, যা এক মাস আগেও ছিল ১০২ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৬ টাকা। আর খুচরা বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ১২০ টাকা।
আরও পড়ুন: গত অর্থবছরের ২ মাসের তুলনায় ৩০% বেড়েছে ভুট্টা আমদানি
দিল্লি সুপার ডাল বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ১২০ টাকা কেজি দরে, যা এক মাস আগেও ছিল ১২৯ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৯ টাকা। আর খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ টাকা।
অ্যাংকর ডাল বেচাকেনা হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, যা ২০ দিন আগেও ছিল ৬৫ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৫ টাকা।
ডাবলি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, যা গত মাসেও ছিল ৬৩ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৩ টাকা।
ছোলা বাজারে বেচাকেনা হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, যা কয়েক দিন আগেও ছিল ৬৫ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৫ টাকা।
খেসারির ডাল বাজারে ৬৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে, যা দুই সপ্তাহ আগেও ছিল ৭২ টাকা। সে হিসাবে দাম কমেছে ৫ টাকা।
অক্টোবরে ডালের নতুন মৌসুম শুরু হবে। তাই এখন মিলের গুদামে যে ডাল মজুদ আছে তা বেচাকেনা হচ্ছে। তাই দাম কমতির দিকে বলে মন্তব্য করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে ব্যবসায়ীরা বলছেন, অক্টোবরে নতুন ডাল আমদানি হলে বাজার পরিস্থিতি বোঝা যাবে।





