নির্বাচন ও গণভোটে মানুষ নির্ধারণ করবে আগামী ৫০ বছরের ভাগ্য: ফাওজুল কবির খান
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেছেন, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের মানুষ তাদের আগামী ৫০ বছরের ভাগ্য নির্ধারণ করবেন।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) দুপুরে দিনাজপুরের গোড়-এ শহীদ বড় ময়দানে ভোটের গাড়ি পরিদর্শন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, “এবারের নির্বাচন একটি নিরপেক্ষ নির্দলীয় সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হবে। ভোটাররা তাদের ইচ্ছামতো ভোট দিতে পারবেন, কেউ বাধা দিতে পারবে না। সেই ব্যবস্থা সম্পূর্ণ করা হয়েছে। বিগত সময়ে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেনি। জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতা সেই অধিকার ফিরিয়ে এনেছে। এখন সময় এসেছে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করার।”
গণভোট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটে ভোটাররা পছন্দমতো ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে পারবেন। ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা, গুম-খুন-হত্যা বন্ধ এবং অন্যান্য সংস্কারের জন্য ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কারের পক্ষে সমর্থন দিতে পারেন। সংস্কার না চাইলে ‘না’ ভোটও দিতে পারবেন—এতে কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। গণভোটে সংস্কারের পক্ষে রায় গেলে সংস্কার প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।”
ফাওজুল কবির খান আরও বলেন, দিনাজপুরে সংখ্যালঘু ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভোটার রয়েছেন। তাদের নির্বিঘ্নে ভোট দিতে স্থানীয় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মো. সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুল জলিল, রংপুরের জেলা প্রশাসক মো. এনামুল আহসান এবং দিনাজপুরের পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা।
উল্লেখ্য, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য এই নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। অন্তর্বর্তী সরকার বারবার সুষ্ঠু, অংশগ্রহণমূলক ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে।





