Home > স্বাস্থ্য > গ্লুকোমা হওয়ার সম্ভাবনা কীভাবে এড়ানো যায়?

গ্লুকোমা হওয়ার সম্ভাবনা কীভাবে এড়ানো যায়?

 

ছানি পড়ার সবচেয়ে বড় কারণ হল চোখের চাপ বেড়ে যাওয়া। রক্তচাপ বৃদ্ধি যেমন শরীরের ক্ষতি করে, তেমনি চাপ বৃদ্ধি চোখেরও ক্ষতি করে। সময়মতো তা নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। চাপের কারণে চোখের পেছনের শিরা শুকিয়ে যেতে থাকে এবং তাদের কাজ করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। একবার এই স্নায়ু ধ্বংস হয়ে গেলে আর ফিরিয়ে আনা যায় না।

উপসর্গ

চাপ বেড়ে গেলে চোখের চারপাশে এবং মাথায় ব্যথা অনুভূত হয়।
আলোর চারপাশে রংধনু দেখা দিতে শুরু করে।
ধীরে ধীরে দেখতে অসুবিধাও বাড়তে থাকে।
প্রায়শই রোগী যখন ডাক্তারের কাছে পৌঁছায়, তখন সে দেখতে পায় যে সে তার দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলেছে।
যদি কখনো চোখে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করেন, তার মানে চোখের ওপর হঠাৎ চাপ বেড়ে গেছে।
শিশুদেরও ছানি পড়ে
অনেক সময় শিশুদের ছানিও দেখা যায়। সাধারণত এই সমস্যা জন্মগত। কিছু কিছু ক্ষেত্রে শিশুদের ছানি পড়ার সম্ভাবনা থাকে। যাইহোক, শিশুদের মধ্যে গ্লুকোমার ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে বিরল। আমরা যদি শিশুদের মধ্যে এর লক্ষণগুলির কথা বলি তবে তাদের চোখ বড় হতে শুরু করে। অবিরাম কান্না আসতে থাকে। আলোতে চোখ খুলতে তাদের অসুবিধা হয়। যাইহোক, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই 40-45 বছর বয়সের পরেই ছানি শুরু হয়।

স্ক্রিন টাইম বাড়ানোর কোন কারণ আছে কি?

আজকাল মানুষ স্মার্টফোন, ল্যাপটপ এবং অন্যান্য গ্যাজেটের স্ক্রিনে অনেক সময় ব্যয় করে। যাইহোক, এটি সরাসরি ছানি কারণ নয়। পর্দার অত্যধিক ব্যবহার ছানি বাড়ে কি না, এমন কোনো প্রমাণ এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। যদি পরিবারের কারো আগে গ্লুকোমা হয়ে থাকে, তবে ঝুঁকি বেড়ে যায়। এই ধরনের লোকদের সতর্ক হওয়া উচিত এবং সময়ে সময়ে নিজেদের পরীক্ষা করা উচিত।

আরও পড়ুনঃ এক ঘণ্টা পর সচল ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জার-ইনস্টাগ্রাম

Leave a Reply