“গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনার কাজ করা হচ্ছে”
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, গণমাধ্যমে শৃঙ্খলা আনা) নিয়ে আমি এরই মধ্যে কাজ করছি। বিষয়টি একটু জটিল। জটিল এ কারণে যে, সংখ্যা নির্ণয় করার যে ফলাটা আছে তার মধ্যেও কিছু গলদ আছে, সেটিকেও ম্যানুপুলেট করা যায়। যদি বলি ফর্মুলা অলরেডি আছে সেটি দিয়ে সঠিক তালিকা করে ফেলবো, এর মধ্যেও দেখা যাবে সঠিক হয়তো অনেক কিছু হবে না। কারণ, পেছন দিকে ম্যানুপুলেশন সমস্যা। যে কারণে আমি ফর্মুলাটা নিয়ে কাজ করছি।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত বিএসআরএফ বার্তা’র মোড়ক উন্মোচন ও মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাব।
তিনি বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে ক্রোড়পত্র দিই, তা কিন্তু ডিএফপির লিস্ট দেখে দিচ্ছি না। আমি কিন্তু একটি লিস্ট বানিয়েছি, বিশেষ সোর্সের মাধ্যমে। যেটি আমাকে মোটামুটি সঠিক একটি সার্কুলেশনের চিত্র দিয়েছে, তার ভিত্তিতে আমি এখন সিদ্ধান্তগুলো নিচ্ছি।
‘কারা কত ক্রোড়পত্র পেয়েছেন তা এক্সেল সিটের মাধ্যমে মেইন্টেইন করি। কাছাকাছি সার্কুলেশনের দুটি পত্রিকার মধ্যে একটি পত্রিকা কম পেলে পরে তা ব্যালেন্স করার চেষ্টা করি। আমি ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করি। ৬০-৭০ শতাংশ সিদ্ধান্ত সার্কুলেশনের ওপর ভিত্তি করে নিই। কারণ, এখানে সরকারের স্বার্থ আছে, বেশিরভাগ মানুষের হাতে এটি আমি পৌঁছাতে চাই।’
মোহাম্মদ আলী আরাফাত আরও বলেন, কিছু পত্রিকার সার্কুলেশন চ্যালেঞ্জ আছে, কিন্তু হয়তো সেই পত্রিকার ইতিহাস ঐতিহ্য আছে। আবার কিছু পত্রিকার সার্কুলেশন চ্যালেঞ্জ থাকলেও সেখানে হয়তো নামকরা সম্পাদক আছেন, যার নিজেরই ইতিহাস-ঐতিহ্য ব্র্যান্ডিং আছে। এগুলো যাচাই-বাছাই করে ব্যালেন্স করে ক্রোড়পত্র দিয়েছি।,কোনো ব্যক্তির সুপারিশে ক্রোড়পত্র দিইনি। সুপারিশ করেছে- নিয়েছি, দেখেছি; কিন্তু দিন শেষে আমার ফর্মুলাই অ্যাপ্লাই করেছি।
আরও পড়ুনঃ “বৈশ্বিক সংকটের কারণে দেশে রিজার্ভ সংকট এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি”





