কৃষক ও চা শ্রমিকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে
কৃষক ও চা শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা নিশ্চিত করতে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, নিলাম কেন্দ্রের পাশাপাশি যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে নিদারুণ কষ্ট করে চা উৎপাদন করছেন, তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে হবে। এটা করা না গেলে নিলাম কেন্দ্র মূল্যহীন হবে। তাই কৃষক ও চা শ্রমিকরা যেন ন্যায্যমূল্য পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।
আজ শনিবার পঞ্চগড়ে বাংলাদেশ চা বোর্ড এবং স্মল টি গার্ডেন ওনার্স অ্যান্ড টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ আয়োজিত পঞ্চগড় সরকারি অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী বলেন, কৃষক ও চা শ্রমিকরা যেন কারো হাতের পুতুল না হয়। কারো ইচ্ছার ওপর যেন তাদের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিতে না হয়।
নিজেদের স্বার্থ সংরক্ষণে কৃষক ও চা শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। কৃষকদের ও চা শ্রমিকদের কারো হাতের পুতুল করা যাবে না। কারো ইচ্ছার ওপর ভিত্তি করে তাদের স্বার্থ জলাঞ্জলি দেয়া যাবে না।
নিলাম কেন্দ্রের পাশাপাশি যারা মাথার ঘাম পায়ে ফেলে নিদারুণ কষ্ট করে চা উৎপাদন করছেন, তাদের স্বার্থ সংরক্ষণ করতে হবে জানিয়ে টিপু মুনশি বলেন, ‘এটা করা না গেলে নিলাম কেন্দ্র মূল্যহীন হবে। তাই কৃষক ও চা শ্রমিকরা যেন ন্যায্যমূল্য পায়, তা নিশ্চিত করতে হবে।’
এ সময় কৃষকের জন্য চায়ের ন্যায্যমূল্য নির্ধারণ এবং তার বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ চা বোর্ড এবং জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন টিপু মুনশি। তিনি বলেন, ‘কৃষক-শ্রমিকরা তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হোক; এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
মন্ত্রী বলেন, ‘দেশের ৬৫ শতাংশ চা উৎপাদন হয় সিলেট অঞ্চলে। সেখানে চা নিলাম কেন্দ্র হতে ১০০ বছরের বেশি সময় লেগেছে। কিন্তু এখানে মাত্র ২০ বছরের মধ্যে নিলাম কেন্দ্র করা সম্ভব হলো। এটা সত্যিই গৌরব ও সৌভাগ্যের।’
চায়ের গুণগত মান ঠিক রাখতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে চাপাতা উত্তোলনের জন্য সরকার কৃষকদের বিনা মূল্যে যন্ত্রপাতি সরবরাহের উদ্যোগ নিয়েছে বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘চা শিল্পের উন্নয়নে এ শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের সবাইকে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে এবং এটি অব্যাহত থাকবে।’
আরও পড়ুনঃ “মূর্খদের হাতে দেশের দায়িত্ব পড়লে সে দেশের কোনো অগ্রযাত্রা হতে পারে না”





