“কার কত দৌড়, দেখা যাবে নির্বাচনে”
মনোনয়ন বাণিজ্যের জন্য হলেও বিএনপিকে নির্বাচনে আসার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মনোনয়ন বাণিজ্যের জন্য হলেও নির্বাচনে আসুক বিএনপি। কার কত দৌড়, সেটি দেখা যাবে নির্বাচনে৷
আজ বৃহস্পতিবার সকালে আওয়ামী লীগের সংসদীয় মনোনয়ন বোর্ডের সভার শুরুতেই এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন চলাকালীনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসক সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের নিয়ন্ত্রণে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে কোনো অফিসার বদলি করা, এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বদলি, এগুলো নির্বাচন কমিশনারের অনুমতি ছাড়া করা যাবে না। যদি নির্বাচন কমিশন চায়, তখন সেটা পরিবর্তন করা যায়, তাছাড়া করা যাবে না।
এক সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনে থাকা নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন করতে আওয়ামী লীগ সরকার আইন করে দিয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, যার অধীনে এখন দেশে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার ভুয়া ভোট মেনে নেয়নি দেশের মানুষ; তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন। জিয়ার জন্ম কলকাতায়, এরশাদেরও ভারতে, খালেদা জিয়ার জন্মও ভারতে, সেই হিসেবে দেখেন, এই মাটির সন্তান হিসেবে আমাদের চেয়ে দরদ আর কারো বেশি হতে পারে না৷
তিনি আরও বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতির সুযোগ দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করা হয়েছিল৷ বিদেশি যারা এখন বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে অনেক মাথা ঘামাচ্ছেন; তারা তো অতীতের এসব নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন না৷
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে বিএনপি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বানচালের ষড়যন্ত্র করেও পেরে ওঠেনি, কারণ জনগণ আওয়ামী লীগের সঙ্গে ছিল৷ মানুষ ভোট দেয়ার সুযোগ পেলে, সঠিক ভোটটিই দেয়৷ দেশে আওয়ামী লীগের শক্ত ঘাঁটি আছে৷ বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করলেও আওয়ামী লীগের শক্তি দেশের জনগণ।
আরও পড়ুনঃ তাড়াতাড়ি ডিনার করা আপনার জীবনকে দীর্ঘায়িত করতে পারে





