“উদ্ধার হওয়া মরদেহের খণ্ডিত অংশ ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে”
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ বলেছেন, কলকাতার সঞ্জিভা গার্ডেন্সের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার মরদেহের খণ্ডিত অংশ ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এরপরই নিশ্চিত হওয়া যাবে-এ মাংস খুন হওয়া এমপি আনারের কিনা।
মঙ্গলবার সন্ধ্যার আগে খবর আসে এমপি আনার যে আবাসনে খুন হয়েছিলেন, সেই আবাসনের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার হয়েছে ৪ কেজিরও বেশি মাংস খণ্ড। এর পর জানা যায়, শুধু মাংস নয়, উদ্ধার হয়েছে চুল ও কিছু হাড়ের গুঁড়াও।
মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ জানান, উদ্ধার করা খণ্ডিত অংশগুলো সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের মরদেহের অংশ কিনা, ডিএনএ টেস্টের পর তা জানা যাবে। উদ্ধার হওয়া মাংস ফরেনসিক ও ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এরপরই নিশ্চিত হওয়া যাবে-এ মাংস খুন হওয়া এমপি আনারের কিনা।
তিনি বলেন, ‘আনোয়ারুল আজিম আনারের মরদেহের খণ্ডিত অংশ উদ্ধারের খবর দেখে ডরিন আমাকে ফোন দিয়েছিলেন। আমি তাকে এখানে আসতে বলেছি। তিনি এলে পরীক্ষাটা দ্রুত করানো যাবে।’
এর আগে মঙ্গলবার সকালে গোয়েন্দা প্রধান জানিয়েছিলেন, কিছু সুর্নিদিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই সিআইডির কাছে সেপটিক ট্যাংক ও বাথরুমের প্যান ভাঙার অনুরোধ করেছেন তিনি।
তিনি সেই সূত্রের নাম প্রকাশ করে বলেন, গ্রেফতার হওয়া শিলিস্তা জেরার মুখে বাথরুমে বার বার ফ্লাশ করার শব্দ পেয়েছে বলে জানিয়েছিল। সেখান থেকেই ঢাকার গোয়েন্দারা ফ্ল্যাটের অভ্যন্তরীণ সুয়ারেজ লাইনের ম্যাপ জোগাড় করেন এবং সেই মতোই এসব ভাঙার অনুরোধ জানান।
এর আগে মঙ্গলবারও নিউটাউন এলাকার খোঁচপুকুর খাল ও বাগজোলা খালে ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। নেয়া হয় ড্রোন ক্যামেরার সাহায্যও।
এদিকে সিআিইডি সূত্র থেকে জানা গেছে, এমপি আনারের মৃতদেহের অংশ খোঁজার উদ্ধার অভিযান এখনই শেষ করবে না। আরও বেশ কয়েকটি সন্দেহভাজন জায়গায় অব্যাহতভাবে অভিযান চালানো হবে।
আরও পড়ুনঃ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়াতে মার্কিন ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী





