Home > দেশ সংযোগ > “প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা”

“প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা”

প্রশ্নপত্র ফাঁস পদ্ধতিগত ভুলের কারণেই: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেছেন, গত ৫ বছরে কোনো প্রশ্নফাঁস হয়নি। যা হয়েছে তাহলো সামাজিক মাধ্যমে গুজব ছড়ানো। প্রশ্নফাঁসের গুজব ছড়ানো হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় দেশের ৮ শিক্ষাবোর্ডের অধীনে শুরু হওয়া এইচএসসি পরীক্ষার তেজগাঁও কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০১৫ সালের পর প্রশ্নফাঁসের মতো কোনো ঘটনা ঘটেনি। পরীক্ষা এলেই একটি শ্রেণি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করে। এদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর আছে।

এ ছাড়া ডেঙ্গুতে আক্রান্ত পরীক্ষার্থীর জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনাও দেন শিক্ষামন্ত্রী।

করোনা ভাইরাস মহামারি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গত দুই-তিন বছর আমাদের একাডেমিক ক্যালেন্ডার একটু এলোমেলো হয়েছে। আগামী বছর থেকে এটা ঠিক হয়ে যাবে আশা করি। আগামী বছর আমরা চেষ্টা করব এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে এবং এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে নেয়ার। সে অনুযায়ী ক্লাসে পাঠদান করানো হবে।

এর আগে নির্দেশনা অনুযায়ী পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে প্রায় সব পরীক্ষার্থীই কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। আর যারা একটু দেরিতে আসেন, তাদের নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময় ও বিলম্বের কারণ রেজিস্টারে লিখে নিয়ে প্রবেশ করতে হয়েছে।

প্রথম দিনে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা হচ্ছে। এবার পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচি অনুযায়ী, একটি বাদে সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বর ও পূর্ণ সময়ে পরীক্ষা হবে। শুধু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) পরীক্ষা ১০০ নম্বরের পরিবর্তে ৭৫ নম্বরে নেয়া হবে।

এর আগে প্রশ্নফাঁস রোধে ১৪ আগস্ট থেকে ৪৩ দিনের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয় সব ধরনের কোচিং সেন্টার। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন, এইচএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ১৪ আগস্ট থেকে আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

সূত্রঃ বাসস

আরও পড়ুনঃ  ৬ ঘণ্টার কম ঘুমালে এই স্বাস্থ্য সমস্যা হতে পারে

Leave a Reply