Home > ফিচার > “পৃথিবীর কেউই বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না”

“পৃথিবীর কেউই বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না”

পৃথিবীর কেউই বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

আজ শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে ‘বাংলাদেশ মার্কেটিং ডে’ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বাজারে চাহিদা ও যোগানের ঘাটতি আছে। তাই পরিস্থিতির সুযোগ নিচ্ছে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট। এ কারণে নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে।

তিনি বলেন, বাজার তদারকিতে দুর্বলতা আছে সরকারেরও। সবমিলিয়ে বাজারের অরাজকতা ঠেকাতে আলোচনাতেই সমাধান দেখছেন মন্ত্রী।

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে উদীয়মান উল্লেখ করে এম এ মান্নান বলেন, এ ধরনের অর্থনীতিতে কিছু বিকৃতি থাকবেই, লাভ বা মুনাফার সুযোগ নেবেই। এটা মোকাবিলার জন্য বিভিন্ন ধরনের নিয়ন্ত্রণ বা নিয়ামক সংস্থাকে বিধিবিধান প্রয়োগ করতে হবে। আইনে যা আছে, সেটাকে মাঠে নেমে প্রয়োগ করতে হবে। এখানে কিছু ঘাটতি মাঝেমধ্যে হয়ে যায়। কয়েকটা নিয়ামক সংস্থা আছে, একেবারে নতুন। তাদের তো দাঁত গজাতে হবে। তারা আস্তে আস্তে অভিজ্ঞ হচ্ছে, কাজ করছে।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণ করার শক্তি দুনিয়ায় কারোরই নেই। বাজার নিজেকেই নিজে নিয়ন্ত্রণ করে। তবে কিছু অনুষঙ্গ আছে—সরবরাহ, চাহিদা। এগুলো নিয়ে তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করা যায়। আসল প্রশ্ন হলো, একটা উদীয়মান অর্থনীতিতে সব সময় চাহিদা ও জোগানের মধ্যে অনেক পার্থক্য থাকে। স্থিতিশীল বুড়ো অর্থনীতিগুলোর বাজারে একটা ভারসাম্য আছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই অস্থির দেশের নিত্যপণ্যের বাজার। দাম বেঁধে দেয়ার পাশাপাশি অভিযান চালিয়েও বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। এরপ্রভাব পড়েছে মূল্যস্ফীতিতে। বর্তমানে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি ৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ হলেও খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ১২.৩৭ শতাংশে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে এম এ মান্নান বলেন, ‘শ্রীলঙ্কা আমাদের বন্ধুরাষ্ট্র, প্রতিবেশী। তুলনা করে লাভ নেই। গত দুই বছর আগে অনেকেই বলেছিলেন যে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা হয়ে গেছে, শুধু বাঁশি বাজানো বাকি। সেটা হয়নি। আমরা চাই, শ্রীলঙ্কা ভালো করুক, আমরাও ভালো করতে পারব। ফলে এ ধরনের তুলনা মানুষ অনেক সময় ভুলভাবে নেবে। শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি আকারে আমাদের অর্থনীতির ১০ ভাগের এক ভাগও নয়।

আরও পড়ুনঃ “দেশের অর্থনীতি পুরোপুরি ফাঁপা বা ফোকলা করে দেওয়া হয়েছে”

Leave a Reply