Home > দেশ সংযোগ > পদ্মা সেতুতে চললো ট্রেন

পদ্মা সেতুতে রেল চলাচলের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যথারীতি রেল চালুর হুইসেল বেজেছে। প্রমত্তা পদ্মায় সড়কের পর এবার সূচিত হলো রেল লাইনের। পদ্মা বহুমুখী সেতুতে চললো ট্রেন।

আজ মঙ্গলবার দুুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর রেল সংযোগে ট্রেন চলাচল উদ্বোধন করেন তিনি। দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ডিজিটাল সুইচ টিপে তিনি উদ্বোধনী ফলক উন্মোচন করেন। পরে সেখানে দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীসহ অতিথিরা।

দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের আরেকবার দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান হলো পদ্মা সেতু হয়ে রেল চলাচলে। দক্ষিণের পথে নতুন রেলপথটি ঢাকার গেন্ডারিয়া, কেরানীগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ থেকে পদ্মা সেতু হয়ে মাদারীপুর–ফরিদপুর মিলেছে। আগামী বছর এ রেলপথের বাকি অংশ ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তথ্যানুসারে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাওয়া রেলস্টেশন থেকে নতুন এই রেলপথের উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহানাসহ সফরসঙ্গীদের নিয়ে সেই ট্রেন চললো ফরিদপুরের ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে।

এরপর বেলা ২টায় ভাঙ্গার ডা. কাজী আবু ইউসুফ স্টেডিয়ামে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী।

২০২২ সালের ২৫ জুন পদ্মা সেতু চালু হয়। দ্বিতল এ সেতুর ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল করছে। সেতুর ভেতরে রয়েছে ট্রেন চলাচলের পথ। পদ্মার দুই পাড়ে যোগাযোগ স্থাপন করতে নেয়া হয় আলাদা প্রকল্প, যা পদ্মা সেতু রেল লিংক প্রকল্প নামে পরিচিত।

প্রকল্প পরিচালক আফজাল হোসেন বলেন, উদ্বোধনের পর শিগগিরই এই পথে যাত্রী নিয়ে ট্রেন চলাচল করবে। তবে এখনও দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। শুধু আধুনিকই নয়, দৃষ্টিনন্দন এ রেল সংযোগ প্রকল্পটির মাধ্যমে আরও একধাপ এগিয়ে গেছে দেশের রেলখাত।

বর্তমানে দেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে ৪৩ জেলায় রেলপথ রয়েছে। ঢাকা-ভাঙ্গা রেলপথের মাধ্যমে মুন্সিগঞ্জ ও মাদারীপুর রেলপথের সঙ্গে যুক্ত হবে। ঢাকার দক্ষিণের উপজেলা কেরানীগঞ্জে এতদিন রেল যোগাযোগ ছিল না। যশোর পর্যন্ত রেলপথ চালু হলে নড়াইল নতুন করে যুক্ত হবে। ভবিষ্যতে ভাঙ্গা থেকে বরিশাল হয়ে পটুয়াখালী পর্যন্ত রেলপথ সম্প্রসারণের পরিকল্পনা আছে রেলওয়ের। বর্তমানে বরিশাল বিভাগে কোনো রেলপথ নেই।

আরও পড়ুনঃ ঢাকা অচল করতে এলে জনগণ বিএনপিকে অচল করে দেবে: ওবায়দুল কাদের

 

Leave a Reply